বাবা-মা দুজনই হাসপাতাল টু বাসা কন্ডিশনের। ভাত না খেলেও হয়, কিন্তু ওষুধ ছাড়া তাদের এক মুহূর্তও চলে না। আছে ছোট দুই ভাই। তাদেরও দেখভাল করতে হয়। হয়তো আরেকটু বড় হলে ওরাও আমার সঙ্গে পরিবারের হাল ধরবে। কিন্তু যতদিন না ওদের পায়ের তলার মাটি শক্ত না হচ্ছে, ততদিনতো আমাকে একাই লড়তে হবে যুদ্ধটা।
চড়াই-উতরাইয়ের এ পথচলায় জানি বারবার আমি মানুষের ‘প্রয়োজনের প্রিয়জন’ হবো, দরকার শেষে ‘আনসিন ম্যাসেজ’ হয়ে রবো, তবু এসব গায়ে না মেখে ‘হার না মানা’ মন্ত্রে এগিয়ে যাবো। যেতে আমাকে হবেই। নিজের জন্য নয়, আবারো বলছি- শুধুমাত্র পরিবারের জন্য।
.png)
‘সেন্ট্রাল এসি’ হয়ে এভাবেই যেন প্রিয়জনদের ভালো রাখার প্রয়াস, শীতল রাখার প্রয়াস অব্যাহত রাখতে পারি, সেই আর্জি ভদ্রপল্লীতে থাকা ওই ঈশ্বরের প্রতি।
টেলিপ্যাথির মাধ্যমে নিশ্চয় তিনি আমাকে শুনছেন, করছেন দিন বদলের বন্দোবস্তও।
কি মিথ্যে বললাম? ঈশ্বর শুনছেন তো আমায়? নাকি শুনছেন না?
প্রশ্নবোধক এ পোয়াতি প্রশ্ন তীব্র প্রসববেদনায় কাতরাচ্ছে। স্মৃতির মতো উত্তর হাতড়ে বেড়াচ্ছে।
আচ্ছা শেষমেষ উত্তর মিলবে তো? নাকি মিলবে না?
লেখক: গণমাধ্যমকর্মী, গীতিকার ও নির্মাতা