ইশরাক নামাজ কখন পড়বেন? ফজিলত কী?
নফল ইবাদতের মধ্যে অন্যতম ফজিলতপূর্ণ নামাজ ইশরাক। এর ওয়াক্ত হলো সূর্য উদিত হওয়ার ১৫ মিনিট পর। অর্থাৎ সূর্য পরিপূর্ণভাবে উদিত হওয়ার পর ইশরাকের নামাজ আদায় করতে হয়।
রাসুলুল্লাহ (স.) সূর্যোদয়ের পর এই-দুই রাকায়াত নামাজ আদায় করতেন। অন্যদেরও আদায় করতে উৎসাহিত করেছেন। বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে ফজরের নামাজ আদায় করল এবং সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর জিকিরে বসে থাকল; অতঃপর দুই রাকাত নামাজ আদায় করল, সে একটি পরিপূর্ণ হজ ও ওমরাহর সওয়াব পাবে।’ (তিরমিজি: ৫৮৬)
ইশরাকের উত্তম সময় হলো, বেলা ওঠার এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে পড়ে নেওয়া।
ইশরাক নামাজ শেষে নাশতা করা এবং জীবন জীবিকার তাগিদে যার যার দুনিয়াবি কাজে নেমে পড়া উচিত। কাজে যাওয়ার সময় নানারকম অনিষ্ট ও ধোঁকা থেকে বাঁচতে ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া পড়বেন। হাদিসে এসেছে, যদি কেউ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ’ পড়ে, তবে সে যাবতীয় অনিষ্ট থেকে হেফাজতে থাকে, শয়তানের ধোঁকা থেকে দূরে থাকে (তিরমিজি: ৩৪২৬)।
দোয়াটির অর্থ: ‘আল্লাহর নামে, আল্লাহ তাআলার ওপরই নির্ভর করলাম, আল্লাহর সাহায্য ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই, শক্তিও নেই।’
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রতিটি দিন সুন্নতের ওপর অতিবাহিত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।