বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় (৬ সেপ্টেম্বর) বিজয়ীদের নাম ঘোষণা দেওয়া হবে। ওই সময় দেশটির বাদশাহ সালমানের পক্ষ থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার দেওয়া হবে।
সৌদি বার্তা সংস্থা এসপিএ-এর সূত্রে আরব নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
.png)
আরব নিউজের খবরে বলা হয়, স্থানীয় সময় বুধবার এশার নামাজের পর পুরস্কারের বিতরণের জন্য বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হবে। সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের পক্ষ থেকে পুরস্কারের অর্থ ও সম্মাননা সনদ তুলে দেবেন মক্কার ডেপুটি গভর্নর প্রিন্স বদর বিন সুলতান।
৪৩তম বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার দুই বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে দুই হাফেজ অংশ নিয়েছেন।
তারা হলেন, ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ফয়সাল আহমেদ ও কক্সবাজারের মো. মুশফিকুর রহমান। ফয়সাল আহমেদ রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় পড়াশোনা করেছেন। তিনি পূর্ণ কোরআন হিফজ বিভাগে অংশ নিয়েছেন। অপর প্রতিযোগী মো. মুশফিকুর রহমান পবিত্র কোরআনের ১৫ পারা ক্যাটাগরিতে অংশ নিয়েছেন।
সে কক্সবাজারের মা’হাদ আন-নিবরাসে কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছে। তারা উভয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
মক্কার আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতায় বিচারক প্যানেলে রয়েছেন বাংলাদেশি আলেম হাফেজ মাওলানা ড. ওয়ালীয়ুর রহমান খান। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মুহাদ্দিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার বাছাই প্রক্রিয়ায় দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাটি পাঁচটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হবে। তা হলো- ১. শাতেবি পদ্ধতিতে সাত কিরাতসহ সুন্দর কণ্ঠে পূর্ণ কোরআন হিফজ, ২. তাজবিদসহ সুন্দর কণ্ঠে পূর্ণ কোরআন হিফজ এবং একক শব্দগুলোর তাফসির, ৩. তাজবিদসহ সুন্দর কণ্ঠে পূর্ণ কোরআন হিফজ, ৪. তাজবিদসহ ১৫ পারা হিফজ, ৫. তাজবিদসহ পাঁচ পারা হিফজ (শেষোক্ত বিভাগটি ওয়াইসিভুক্ত নয় এমন দেশের জন্য প্রযোজ্য)।
গত ২৫ আগস্ট সৌদি আরবের ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে মক্কায় ৪৩তম আন্তর্জাতিক এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে বিশ্বের ১১৭টি দেশের ১৬৬ প্রতিযোগী তাতে অংশ নেন। প্রতিযোগিতার পাঁচ ক্যাটাগরিতে বিজয়ীরা পাবেন সর্বমোট ৪০ লাখ সৌদি রিয়াল পুরস্কার। আর প্রথম স্থান অর্জনকারীরা পুরস্কার হিসেবে পাবেন পাঁচ লাখ রিয়াল।