গ্রহাণুটির নাম দেওয়া হয়েছে ৭৩৩৫ (১৯৮৯ জেএ), যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৪০ লাখ কিলোমিটার দূরে থাকবে। এই দূরত্ব পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার গড় দূরত্বের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি। তবুও গ্রহাণুটির বিশাল আকার (১.৮ কিলোমিটার ব্যাস) ও পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব দেখে নাসা এটিকে ‘সম্ভাব্য বিপজ্জনক’ বিভাগের আওতায় ফেলেছে।
এর মানে হলো- যদি কখনো এই গ্রহাণুটির কক্ষপথ পরিবর্তিত হয় তবে এটি আমাদের পৃথিবীর জন্য বিশাল ক্ষতি হতে পারে।
আরো পড়ুন> কাঁদলে কেন চোখ থেকে পানি পড়ে?
.png)
নাসার মতে, ৭৩৩৫ (১৯৮৯ জেএ) পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গ্রহাণু যা পৃথিবীর কাছাকাছি আসে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, ঘণ্টায় প্রায় ৭৬ হাজার কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে এই গ্রহাণু। ২০৫৫ সালের ২৩ জুনের আগে এই গ্রহাণু পৃথিবীর কাছাকাছি আসবে না। এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর ২৯ হাজার এরও বেশি নিয়ার অবজেক্টস (এনইও) এর মধ্যে একটি যা নাসা প্রতি বছর ট্র্যাক করে।
এনইও একটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের বস্তু যা পৃথিবীর কক্ষপথের প্রায় ৪.৮ মিলিয়ন কিলোমিটারে আসে। এই বস্তুগুলোর বেশিরভাগই খুব ছোট। কিন্তু নাসা বলছে, ৭৩৩৫ (১৯৮৯ সালের জেএ) এনইও’র চেয়ে ৯৯ শতাংশ বড়।