পৃথিবীর জন্য সুখবর
পৃথিবীর জন্য সুখবর দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। জলবায়ু দূষণে বিপর্যস্ত পৃথিবী। কীভাবে দূষণ ঠেকানো যায়, তা নিয়ে চলছে নিরন্তর গবেষণা। এরই মধ্যে পাওয়া গেল সুসংবাদ।
জাতিসংঘের একদল বিশেষজ্ঞ মূল্যায়নে জানিয়েছেন, কয়েক দশকের মধ্যে ক্ষয়ে যাওয়া ওজোন স্তর স্বাভাবিক হওয়ার পথে রয়েছে। ওজোন স্তর সূর্য থেকে নিঃসরিত ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে গ্রহকে রক্ষা করে।
বিজ্ঞানীরা ৮০ দশকের শেষের দিকে আশঙ্কা করেছিলেন, ওজোন স্তরে বিরাট একটি ছিদ্র পাওয়া গেছে। ক্লোরোফ্লুরোকার্বন ওজোন স্তর ক্ষতির জন্য দায়ী।
.png)
সিএনএন জানায়, সম্প্রতি বিশেষজ্ঞদের প্যানেল প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানায়, ১৯৮৯ সালে মন্ট্রিল প্রোটোকল কার্যকর হওয়ার পর সিএফসির ব্যবহার ৯৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বিশ্বের বেশির ভাগ এলাকায় ১৯৮০ সালের আগে ওজোন স্তর যে অবস্থায় ছিল তা ২০৪০ সালে সে অবস্থায় ফিরে আসবে। মেরু অঞ্চলে ওজোন স্তরের পুনরুদ্ধারের সময়সীমা আরো দীর্ঘ। এছাড়া ২০৪৫ সালে আর্কটিকে এবং ২০৬৬ সালে অ্যান্টার্কটিকা অঞ্চলে স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।
তারা জানিয়েছেন, তারা ২০২০ সালে ২০ সেপ্টেম্বরে দেখতে পান ওজোন স্তরের গর্ত সর্বোচ্চ ২৪.8 মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটাররে পৌঁছেছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আকারের প্রায় তিনগুণ।
ভৌগোলিক দক্ষিণ মেরুর কাছে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ৬ কিলোমিটার এলাকায় বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে ওজোনের প্রায় সম্পূর্ণ নির্মূলের বিষয়টিও শনাক্ত করেছেন তারা।