বাংলাদেশ দলের আসন্ন নিউজিল্যান্ড সফর থেকেও ছুটি নিয়েছেন সাকিব। যার ফলে তার টেস্ট না খেলার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৮-তে। এবার পারিবারিক কারণ দেখিয়ে ছুটি নিয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রায় চার বছর ধরেই টেস্ট ক্রিকেটে সাকিবের এমন অনুপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগিয়েছে।
মূলত সাকিবের টেস্ট ফরম্যাটে আগ্রহ নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে বেশি। কিন্তু তিনি নিজে কখনো এসব বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেননি। বরাবরই জানিয়েছেন, নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে তার। তবে এবার মুখ খুলেছেন তিনি। স্বীকার করেছেন টেস্ট ক্রিকেট খেলা নিয়ে আসলেই চিন্তা করতে শুরু করেছেন।
.png)
বর্তমান কোয়ারেন্টাইন ও জৈব সুরক্ষা বলয়ের বাস্তবতায় তিন ফরম্যাটে একসঙ্গে খেলা চালিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভবই মনে করছেন সাকিব। তাই নতুন বছরেই হয়তো যেকোনো এক ফরম্যাটকে বিদায় জানাতে পারেন তিনি। কিন্তু সেটি যে টেস্ট ফরম্যাটই হবে, তা নিশ্চিত করেননি তিনি।
বুধবার দেশ ছেড়ে আমেরিকার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন সাকিব। এর আগে বেসরকারি এক টিভি চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কোনটা গুরুত্বপূর্ণ আমি জানি। কোনটার অগ্রাধিকার দিতে হবে সেটাও জানি।’
তিনি আরো বলেন, ‘এখন আসলেই এমন সময় এসেছে যে আমি টেস্ট নিয়ে চিন্তা করছি। এটাই হচ্ছে বিষয়। আমি আদৌ আর টেস্ট খেলবো কি না, খেললেও কীভাবে খেলবো। এমনকি ওয়ানডে ফরম্যাটে যেগুলো পয়েন্ট পদ্ধতির বাইরে হয় সেগুলোয় আমার অংশগ্রহণ দরকার আছে কি না। আসলে আমার কাছে আর কোনো পথ নেই।
এরপর সাকিব বলেন, ‘আমি বলছি না যে টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়াবো। এমনও হতে পারে ২০২২ সালের বিশ্বকাপের পরে আমি আর টি-২০ই না খেলি। তখন ওয়ানডে আর টেস্ট খেললাম। একসাথে তিন ফরম্যাটে খেলা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব। আপনি যখন ৪০-৪২ দিনের মধ্যে দুইটা টেস্ট খেলেন এটা কোনোভাবেই ফলপ্রসূ হওয়ার মতো বিষয় না।’
টাইগার অলরাউন্ডারের শেষ কথা, ‘স্বাভাবিকভাবেই এটা বেছে বেছে ম্যাচ খেলার জন্য অনুপ্রাণিত করে। যেগুলো নিয়ে বিসিবির সঙ্গে ভালোভাবে একটা পরিকল্পনা করা জরুরি। সেই পরিকল্পনা করেই সামনে আগানো হবে বুদ্ধিমানের কাজ। এই পরিকল্পনা জানুয়ারির মধ্যে হলেই জানতে পারবো পুরো পরিকল্পনা কী হচ্ছে।’