এমন দুর্দান্ত অর্জনে ক্রিকেট পরিসংখ্যানে বেশ কিছু ওলট-পালট ঘটেছে। চলুন জেনে নেয়া যাক সেগুলো:
১ - বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ পেসার হিসেবে প্রথমবারের মতো ম্যাচসেরা হলেন এবাদত। মাশরাফী ও মুস্তাফিজুর রহমানের পর তৃতীয় পেসার হিসেবে টেস্টে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতলেন তিনি।
.png)
৫ - র্যাংকিংয়ের শীর্ষ ৫-এ থাকা দলগুলোর বিপক্ষে দেশের বাইরে বাংলাদেশ প্রথমবার জিতল মাউন্ট মঙ্গানুইতে। আইসিসি টেস্ট র্যাংকিংয়ে নিউজিল্যান্ড এখন দুই নম্বরে।
৬ - টেস্ট ফরম্যাটে ষষ্ঠ কোন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয় পেল বাংলাদেশ। এর আগে টেস্টের জয়গুলো এসেছে জিম্বাবুয়ে (৮), ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৪), অস্ট্রেলিয়া (১), ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে (১)।
৬ - ৬১তম ম্যাচে এসে বিদেশের মাটিতে টেস্টে এটি বাংলাদেশের ষষ্ঠ জয়।
৮ - উইকেটের হিসেবে দেশের বাইরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয়।
৮ - দেশের মাটিতে নিজেদের সর্বশেষ ৮টি সিরিজেই জিতেছিল নিউজিল্যান্ড। ২ টেস্টের সিরিজে এবার প্রথমটিই হেরে যাওয়ায় ভাঙল সে ধারাও।
১৭ - বাংলাদেশের কাছে হারের আগে টানা ১৭ ম্যাচ দেশের মাটিতে টেস্টে অপরাজিত ছিল নিউজিল্যান্ড। সর্বশেষ ২০১৭ সালের মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হেরেছিল কিউইরা, ওয়েলিংটনে।
৩৩ - সব সংস্করণ মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তাদের বিপক্ষে আগের ৩২ ম্যাচ খেলে জয়শূন্য ছিল বাংলাদেশ। এর আগে বাংলাদেশ সেখানে খেলেছিল ৯টি টেস্ট ম্যাচ। ছিল না কোনো ড্র-ও। সব মিলিয়ে টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬তম দেখায় বাংলাদেশের প্রথম জয় এটি।
৬/৪৬ - নিউজিল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশ বোলারের সেরা বোলিং ফিগার এখন এবাদত হোসেনের। এর আগে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন একজনই, রুবেল হোসেন। ২০১০ সালে হ্যামিল্টনে ৫ উইকেট নিতে তিনি খরচ করেছিলেন ১৬৬ রান।
৭/১২১ - এবাদতের ম্যাচের ফিগারও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশ বোলারদের সেরা। এর আগে সেরা ছিল মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার, ২০০৮ সালে ডানেডিনে ৮৮ রানে নেয়া ৫ উইকেট।
২০১১ - বাংলাদেশের আগে সর্বশেষ ২০১১ সালে উপমহাদেশের কোনো দলের কাছে তাদের মাটিতে টেস্ট হেরেছিল নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তানের কাছে।
বাংলাদেশের ম্যাচ জয়ের মুহূর্তটি দেখুন এখানে।