মূলত দল তাসকিনের ওপর যে আস্থা রেখেছে, সেই আস্থার প্রতিদান রাখতে চান এই গতিতারকা। তিনি বলেন, ‘এ বছর আমি সিলেটের হয়ে খেলব, খুবই রোমাঞ্চিত। আমাদের দল ভারসাম্যপূর্ণ। সবাই দোয়া করবেন আমরা যেন দলগতভাবে ভালো খেলে দলকে ফাইনালে নিতে পারি। আমি খুবই আশাবাদী। দলের প্রত্যেকে রোমাঞ্চিত। আশা করছি দলের সম্মান রাখব ইনশাআল্লাহ্।’
প্লেয়ার্স ড্রাফটের আগে তারকাদের ভিড়ে সিলেট বেছে নেয় তাসকিনকে। তাই দলের প্রতি দায়িত্ব বেশি, তা বুঝতে সমস্যা হচ্ছে না তাসকিনের। তার ভাষায়, ‘দায়িত্ব তো বেশি। কিন্তু আমি চাপটা উপভোগ করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ্। প্রত্যেক বছরই তো সুযোগ। আমার লক্ষ্য থাকবে সেরাটা দেওয়ার।’
.png)
এরপর তাসকিন বলেন, ‘আমি প্রক্রিয়ায় ঠিক থাকতে চাই। আমার তো ইচ্ছা আছেই শীর্ষ উইকেট শিকারিদের মধ্যে থাকি। কিন্তু যে প্রক্রিয়া সবসময় অনুসরণ করি তা ঠিক রাখতে চাই, বেসিক ঠিক রাখতে চাই, কোনো কম্প্রোমাইজ করতে চাই না।’
তাসকিন অবশ্য বিপিএলের আগে সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলার সুযোগ পাননি। নিউজিল্যান্ডে টেস্ট খেলে দেশে ফিরেই নামতে হয়েছে সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটের প্রস্তুতিতে। তবে টেস্ট থেকে এসেই টি-২০তে মানিয়ে নিতে বদ্ধপরিকর এই পেসার।
তাসকিন বলেন, ‘আসলে যেভাবেই হোক মানিয়ে নিতে হবে। এটা একজন পেশাদার ক্রিকেটারের দায়িত্ব। মানিয়ে নিতে পারিনি বলে খারাপ করেছি এটা কোনো অজুহাত হতেই পারে না। এটা আমার দায়িত্ব, যেভাবেই হোক দ্রুত মানিয়ে নিয়ে যেন দলকে নিজের সেরাটা দিতে পারি এবং জয়ে অবদান রাখতে পারি।’