নকআউট পর্বের এই ম্যাচের প্রায় পুরোটা সময়ই দ্বিতীয় সেরা দল হয়ে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। একের পর এক আক্রমণ শানিয়ে গেছে বিলবাও। তবে কাজের কাজ করতে পারছিল না তারাও। ম্যাচের একেবারে অন্তিম মুহূর্তে আলেশ বেরেনগার গোলে কোপা দেল রের সেমিফাইনালে ওঠে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চ্যাম্পিয়নরা।
গতিময় ফুটবলে ম্যাচের নবম মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারতো বিলবাও। তবে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দানি গার্সিয়ার বুলেট গতির শট ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান থিবো কোর্তোয়া। চার মিনিট পর আবারও দূর থেকে চেষ্টা করেন গার্সিয়া। এবার তার নিচু শট রক্ষণে প্রতিহত হয়।
.png)
শুরুর দিকে রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত রিয়াল এরপর একটু একটু করে মাঠের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু বল দখলে এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে সুবিধা করতে পারছিল না তারা।
দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটে আবার বিলবাওয়ের আক্রমণ। এবার কোনোমতে এক হাত দিয়ে পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করেন রিয়াল গোলরক্ষক। দুই মিনিট পর ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে রাউল গার্সিয়ার হেড হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট।
প্রতিপক্ষের একের পর এক আক্রমণ সামলে ওপরে উঠতেই পারছিল না রিয়াল। এ পর্বে প্রতিটি আক্রমণের শেষে বিলবাওয়ের খেই হারানোটাও ছিল হতাশাজনক। ৮১তম মিনিটে প্রতি-আক্রমণে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন কাসেমিরো। কিন্তু গোলরক্ষক বরাবর নিচু দুর্বল শট নেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার।
অবশেষে ৮৯তম মিনিটে ‘ডেডলক’ ভাঙেন আলেশ। মিকেল ভেসগার পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে ডিফেন্ডার নাচো ফের্নান্দেসকে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে ঠিকানা খুঁজে নেন বিরতির পর বদলি নামা স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। কোর্তোয়া ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি।
এই হারে ট্রেবল জয়ের আশা আগেভাগেই শেষ হয়ে গেল লা লিগার পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা রিয়ালের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও এখনও টিকে আছে তারা।