গত এক বছরের বেশি সময় ধরে কনুইয়ের চোটে ভুগছেন উইলিয়ামসন। চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরতে গেলেই তার চোট মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। যার ফলে কিউইদের হয়ে লম্বা সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাকে দেখা যায়নি।
সর্বশেষ টি-২০ বিশ্বকাপে সকল ম্যাচে খেলতে পারলেও আইপিএলের সবগুলো ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি উইলিয়ামসন। ভারতের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজে বিশ্রামে ছিলেন তিনি। গত নভেম্বরে কানপুরে হওয়া প্রথম টেস্টে মাঠে ফিরলেও চোট জেগে ওঠে তখনই, এরপর থেকেই মাঠের বাইরে আছেন উইলিয়ামসন।
.png)
কঠিন এই চোটের সাথে লড়াই করতে গিয়ে মাঝেমাঝেই হতাশ হয়ে পড়েন তিনি। বিরক্তি এতটাই চেপে বসে যে, হাতটাই নাকি কেটে ফেলতে চেয়েছিলেন ৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটার। শুক্রবার চোট নিয়ে নিজের হতাশার কথা জানান উইলিয়ামসন।
উইলিয়ামসন বলেন, ‘এটা (হাত) কেটে ফেলা... এমনটা আমি কয়েকবার ভেবেছি। এই ধরনের চোটের সঙ্গে লড়াই করা প্রত্যেকের গল্প আলাদা। শুরুতে আমি অবশ্যই আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু এখন আর পারছি না। সত্যি বলতে, দিনের পর দিন এটা সহ্য করে যাওয়া খুবই কঠিন।’
তবে এমন চোটের সাথে লড়াই করা ব্যক্তি উইলিয়ামসনই প্রথম নন। একই চোটের সঙ্গে লড়াই করে এখন সুস্থ আছেন অস্ট্রেলিয়ার স্টিভেন স্মিথ। কিংবদন্তি ব্যাটার শচীন টেন্ডুলকারেরও ছিল একই চোট। তবুও হার মানেননি শচীন, গড়েছেন ২৪ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার।
চোট থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া নিয়ে এই দুইজনের সঙ্গেই কথা বলেছেন উইলিয়ামসন। তবে এখনও পর্যন্ত নিজের জন্য কার্যকরী কোনো উপায়ই খুঁজে পাননি তিনি। উইলিয়ামসন বলেন, ‘আমি এমন অনেকের গল্প শুনেছি যারা এই চোটের মধ্য দিয়ে গেছে এবং শুরুতে তাদের কথা অনুপ্রেরণাদায়ক ছিল। আমার এই লড়াইয়ের শেষ কোথায়, তা জানতে আমি কৌতূহলী।’
বর্তমানে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন উইলিয়ামসন। প্রতি দুইদিনে ব্যাটিং করছেন ২০-২৫ মিনিট করে, ব্যথানাশক ঔষধের দরকার হচ্ছে না। আগামী মার্চে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের সিরিজ খেলবে কিউইরা। সেই সিরিজ দিয়ে মাঠে ফেরার লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছেন উইলিয়ামসন।