চোটের কারণে এ ম্যাচে খেলতে পারছেন না মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশ দলের ফিজিও বায়েজিদ ইসলাম খবরটি নিশ্চিত করেন। এ দিকে এ ম্যাচে টি-২০তে অভিষেক হচ্ছে বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার মুনিম শাহরিয়ার ও ইয়াসির আলি রাব্বির। একইভাবে আফগানিস্তান একাদশেও আছে দুই অভিষিক্ত খেলোয়াড়। তারা হলেন দারউইশ রাসুলি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
গতকাল মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলনের সময় হাতে চোট পান মুশফিক। সতর্কতা হিসেবে রাতেই আরেক উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান নুরুল হাসানকে দলে অন্তর্ভুক্ত করে টিম ম্যানেজমেন্ট।
.png)
বিসিবি ফিজিও বায়েজিদ ইসলাম ভিডিও বার্তায় বলেন, গতকাল মুশফিকের ডান হাতের বুড়ো আঙুলে বল লাগার পর আমরা একটা এক্স–রে করি। এক্স–রেতে খারাপ কিছুই আসেনি। এক্স-রের ফল স্বাভাবিকই এসেছে। কিন্তু এখন ব্যথার জায়গাটা একটু ফুলে আছে। রংও পরিবর্তন হয়েছে। তাই আমরা তাকে পর্যবেক্ষণে রেখেছি। তাকে আজকের ম্যাচ থেকে বাইরে রাখা হয়েছে।
দুই ম্যাচের দুটিতেই সফরকারীদের হারাতে পারলে র্যাঙ্কিংয়ে একধাপ এগিয়ে যাবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। আবার সিরিজটি ১-১ ব্যবধানে ড্র হলে র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ কিংবা আফগানিস্তান কারও পরিবর্তন আসবে না। কিন্তু বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে হেরে গেলে ২২৮ রেটিং নিয়ে এক ধাপ পিছিয়ে ১০ম স্থানে চলে যাবে টাইগাররা।
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান টি-২০ ম্যাচ খেলেছে মোট ৬টি। এর মধ্যে জয়ের পাল্লাটা আফগানদেরই ভারী। হাশমতউল্লাহ শহিদিরা জিতেছে মোট চারটি ম্যাচে। এর বিপরীতে রাসেল ডোমিঙ্গোর শিষ্যদের জয় মাত্র দুটি ম্যাচে। আবার টি-২০ র্যাঙ্কিংয়েও এগিয়ে সফরকারীরা।
অতীত পরিসংখ্যান যাই বলুক না কেন, খেলা বাংলাদেশের মাটিতে হওয়ার কারণে এগিয়ে থাকবে টাইগাররাই। আর র্যাঙ্কিংয়ে কিছুটা থাকলেও ব্যাটে-বলে অথবা শক্তিমত্তার বিচারে পিছিয়ে থাকবেন না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বাহিনী। তবে হুট করেই দলের উইকেটকিপার ব্যাটার মুশফিকুর রহিম ইনজুরিতে পড়ায় কিছুটা সমস্যায় দল।
এর আগে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ তে জেতে স্বাগতিক বাংলাদেশ।
শেষ ম্যাচ হারলেও সিরিজে জেতার পাশাপাশি ওয়ানডে সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেই অবস্থান করছে বাংলাদেশষ দল। সিরিজ শুরুর আগে ৮০ পয়েন্ট নিয়ে সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে ছিল বাংলাদেশ। ৯৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ছিল ইংল্যান্ড। এখন বাংলাদেশের পয়েন্ট ১০০।
স্কোয়াড:
বাংলাদেশ: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, মুনিম শাহরিয়ার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, আফিফ হোসেন, মাহেদী হাসান, ইয়াসির আলী চৌধুরী, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, নাসুম আহমেদ, শহিদুল ইসলাম, নাইম শেখ।
আফগানিস্তান: রহমানুল্লাহ গুরবাজ, হজরতুল্লাহ জাজাই, উসমান গনি, দরবেশ রাসুলি, মোহাম্মদ নবী (অধিনায়ক), নাজিব জাদরান, আফসার জাজাই, করিম জানাত, আজমাতুল্লাহ ওমরজাই, শরফুদ্দিন আশরাফ, রশিদ খান, মুজিব উর রহমান, কায়েস আহমেদ, ফজল হক ফারুকী, নিজাম। মাসউদ, ফরিদ আহমাদ।