তৎক্ষণাৎ ৩০ বছর বয়সী এই বাঁহাতি পেসারকে সেদিন বিমানবন্দর থেকে হাসপাতালে দৌঁড়াতে হয়েছিল। হাসপাতালে ১১ দিন কাটিয়ে আজ ফিরতে পেরেছেন বাসায়। গত কিছুদিন কী অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, সেটির বর্ণনা দিতে গিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
এতে মিলস লিখেছেন, অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে বিমানবন্দর ত্যাগ করব, এমন সময়ে মেয়ের অসুস্থতার খবর পাই, যেটি পরে স্ট্রোকে রূপ নেয়। ওর শরীরের বাঁ পাশ পুরোপুরি অবশ হয়ে যায়। (চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে) আমাদের জানানো হয়, অবশ হয়ে যাওয়া অংশ কতটুকু সচল হবে, সেটি তাঁরা বলতে পারছেন না।
.png)
তিনি আরো লিখেন, বিপুল চ্যালেঞ্জ থাকলেও সবাইকে অবাক করে আমাদের মেয়েটি বাসায় নিয়ে যাওয়ার মতো সেরে উঠেছে। ওকে প্রচুর পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ার মধ্যে থাকতে হবে এবং ওষুধ এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। তবে এখন যে অবস্থায় আছে, তাতেই আমরা কৃতজ্ঞ।
এদিকে মা-বাবার হাত ধরে হাসপাতালের বারান্দা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে ছোট্ট ডেলফি, এমন একটি ছবি পোস্ট করে মিলস লিখেছেন, সবচেয়ে ভয়ানক ১১ দিনের পর ক্রিসমাসের ছুটিতে আমরা বাড়িতে যাচ্ছি।