গ্রুপ পর্ব ও সুপার ফোরসহ সবমিলিয়ে ৫টি ম্যাচ হয়েছে আয়োজক পাকিস্তানের মাটিতে। আর টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ও ফাইনালসহ ৯টি ম্যাচের দায়িত্ব পেয়েছে সহ আয়োজক শ্রীলংকা। মূলত পাকিস্তানে গিয়ে ভারত খেলবে না বলেই বেছে নেয়া হয় ‘হাইব্রিড মডেল’।
হাইব্রিড মডেল ইস্যুতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) পক্ষে সাফাই গেয়েছেন অনেকেই। তবে সেই দলে নেই স্পিন কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরালিধরন। শ্রীলংকারর সাবেক এই স্পিনারের যুক্তি, দুই দেশে খেলতে গিয়ে ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের মনোযোগ দেওয়াটা কঠিন হয়ে পড়েছে।
.png)
কিছুদিন আগে মুক্তি পেয়েছে তার জীবনী নিয়ে তৈরি সিনেমা ‘৮০০ ’-এর ট্রেলার। শ্রীলংকা-ভারত ম্যাচ চলার সময় সেই সিনেমার প্রচারণায় কলম্বোর প্রেমাদাসা প্রেসবক্সে এসেছিলেন মুরালিধরন। স্টেডিয়ামে অবস্থানকালেই ‘৮০০’ এবং অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। যেখানে তিনি সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন তার মতামত— এশিয়া কাপ এক দেশেই হওয়া উচিত।
মুরালির ভাষায়, ‘দুই দেশে এশিয়া কাপ হওয়ায় খেলোয়াড়দের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটেছে। অন্তত আমি মনে করি এটা। একটা দেশেই হওয়া উচিত এশিয়া কাপ।’
কেন হওয়া উচিত সেটা তো সবাই দেখেছে। ভারত শুধু শ্রীলংকায় খেললেও বাকি পাঁচ দল-বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, নেপাল ও আফগানিস্তানকে দুই দেশেই যাতায়াত করতে হয়েছে। কোনো কোনো দলকে তো এক ম্যাচ শ্রীলংকাতে খেলেই পাকিস্তানে যেতে হয়েছে। কোনো দলকে পাকিস্তানে খেলেই আসতে হয়েছে শ্রীলংকায়। এই ‘আসা-যাওয়া’র একটা ধকল আছে। ভ্রমণক্লান্তির চেয়েও বড় যে অসুবিধা, সেটি হলো ক্রিকেটে মনোযোগটা ধরে রাখা।
তাই টেস্ট ক্রিকেটে ৮০০ উইকেট শিকারির আশা, ‘ভবিষ্যতে আমার (মুরালি) মনে হয় একটা দেশেই হবে।’