এই ম্যাচে শক্তি-সামর্থ্যে যথেষ্ট এগিয়ে ছিল মিয়ানমার। তবে মাঠের লড়াইয়ে কপাল পুড়ল বাংলাদেশের। এমনকি ১০ জনের মিয়ানমারকে শেষের দিকে কিছুটা চেপে ধরেও সাফল্য আসেনি বাংলাদেশের।
আজকের ম্যাচে প্রথমার্ধে ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে যায। বিরতির পর আরো আক্রমণ বাড়ায় বাংলাদেশ। মিয়ানমারের ডিফেন্সে কয়েকবার আক্রমণ চালায় জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড রবিউল হাসান। তবে মিয়ানমারকে রক্ষা করেছে তাদের গোলরক্ষক।
.png)
খেলার ৬১ মিনিটে রবিউলের ফ্রি কিক রুখে দেন তিনি। এর ছয় মিনিটর পর আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে যায় বাংলাদেশ। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান ডিফেন্ডার মুরাদ হাসান। তাতেই পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। খেলার ৭৫ মিনিটে দশজনের দলে পরিণত হয় মিয়ানমার।
বাংলাদেশের একজনকে পোষ্টে ঢোকার আগ মুহূর্তে বাজেভাবে ফেলে দিয়ে সরাসরি লালকার্ড দেখেন মিয়ানমারের এক ডিফেন্ডার।
সেই ফাউল থেকে পাওয়া ফ্রি-কিকে গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন রবিউল। কিন্তু মিয়ানমারের গোলকিপার তার বল আটকিয়ে দেয়। বাকি সময়ে গোল না হওয়ায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মিয়ানমার দল।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে নামবে হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার শিষ্যরা।