আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিং করে আফগানিস্তান। যেখানে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৪৪ রান সংগ্রহ করেছে আফগানরা। এতে দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২৪৫ রান।
আফগানিস্তানের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। তারা দু’জন মিলে নির্বিঘ্নে ৮ ওভার কাটিয়ে দেন। তবে নবম ওভারের শুরুতেই কেশব মহারাজের ঘূর্ণিতে কাটা পড়েন রহমানউল্লাহ গুরবাজ। আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ২৫ রান।
.png)
পরে বাইশ গজে আসেন রহমত শাহ। এরপরই সাজঘরের পথ ধরেন ইব্রাহিম জাদরান (১৫) ও আফগান দলপতি হাশমতউল্লাহ শাহিদী (২)। নিয়মিত বিরতিতে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে আফগানরা।
এরপর উইকেটে আসেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তার সঙ্গে ৪৯ রানের জুটি গড়েন রহমত। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই রহমতকে সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন লুঙ্গি।
ম্যাচের ২৭তম ওভারে ইকরামকে ডি ককের তালুবন্দী করেন কোয়েৎজে। পরের ওভারেই ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়ে ফিরেছেন অভিজ্ঞ মোহাম্মদ নবীও (২)। এরপর বলার মতো কেউই তেমন রান করতে পারেননি।
প্রোটিয়াদের চোখে চোখ রাঙিয়ে ব্যাট হাতে একাই লড়াই চালিয়ে যান আজমতউল্লাহ। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ৯৭ রানে অপরাজিত ছিলেন এ ডানহাতি ব্যাটার। মূলত তার রানে ভর করেই ২৪৪ রানের পুঁজি পেয়েছে আফগানিস্তান।
এদিন দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন জেরার্ল্ড কোয়েৎজে।