ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

ফাইনালে নাটকীয়তা, ফের টাইব্রেকারের সিদ্ধান্ত

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:৫৭, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
ফাইনালে নাটকীয়তা, ফের টাইব্রেকারের সিদ্ধান্ত
ছবি- সংগৃহীত

সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও ভারত। যেখানে নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে শেষ হয়েছিল খেলা। এতে ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। টাইব্রেকার শেষ হয় ৫-৫ গোলে। তারপর সাডেনডেথ। সেখানেও ফল ১১-১১।

হঠাৎ করেই ম্যাচ কমিশনার দুই দলের খেলোয়াড় ডেকে টসের সিদ্ধান্ত নেন। টসে ভারত জিতলে তারা শিরোপা জয়ের আনন্দে মেতে ওঠে। বাংলাদেশ বাইলজের কথা বলে প্রতিবাদ করে।

তখন কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নেন, টসের সিদ্ধান্ত ভুল হয়েছে। তবে এবার বাংলাদেশ মেনে নিলেও প্রতিবাদ জানায় ভারত। এখন সিদ্ধান্তহীনতায় কর্মকর্তারা। দুই দলই মাঠে অবস্থান করছে।

Advertisement

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় কমলাপুর স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশের মেয়েরা। যেখানে শুরুতেই লিড নেয় ভারত। ম্যাচের ৮ মিনিটে রক্ষণ দুর্বলতা ও গোলরক্ষকের ভুলে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়ে।  ভারতীয় মিডফিল্ডার নিতু লিন্ডার থ্রুতে বাংলাদেশের দুই ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে বল পান শিবানি দেবী।

বাংলাদেশের গোলরক্ষক স্বর্ণা রানী বক্সের সামনে এসে বলের নাগাল পাননি। বুদ্ধিদীপ্তভাবে প্লেসিংয়ে বল জালে পাঠান শিবানি। এর ৮ মিনিট পরেই ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ ছিল ভারতের। বক্সের মধ্যে গোলদাতা শিবানি দেবী ভালো পজিশনে বল পান। তার নেয়া ডান পায়ের শট পোস্টের সামান্য উপর দিয়ে যায়৷ তাতে এ যাত্রায় রক্ষা পায় বাংলাদেশের মেয়েরা।

পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেছে বাংলাদেশ। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পেতে সেভাবে সুযোগ তৈরি করতে পারেনি স্বাগতিক দল। 

ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে স্বপ্না রাণীর দুই জনকে কাটিয়ে শট নিলেও বাইরে দিয়ে যায় ৷ প্রথমার্ধে বাংলাদেশ তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো আক্রমণ করতে পারেনি। পক্ষান্তরে ভারত প্রথমার্ধে বল পজিশন, আক্রমণ ও ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট এগিয়ে ছিল।

বিরতি শেষে খেলায় সমতা আনতে মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। বারবার প্রতিপক্ষের ডিবক্সে আক্রমণ চালিয়েও হচ্ছিল না তারা। ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে স্বপ্নার রাণীর নেয়া কর্ণার কিক ক্রসবারে লেগে মাঠের বাইরে চলে যায়।

নির্ধারিত সময়েও এগিয়ে ছিল ভারত। তবে তাদের স্বপ্ন ভঙ্গ করে খেলায় সমতা ফেরান বাংলাদেশের সাগরিকা। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হওয়ায় রেফারি ৪ মিনিট ইনজুরি সময় দেন।

এর ৩ মিনিটে আফিদা খন্দকারের থ্রো ইন থেকে বাংলাদেশের সাগরিকা বক্সের আগে জটলায় বলের নিয়ন্ত্রণ নেন৷ নিজ প্রচেষ্টায় বক্সে বল নিয়ে কোনাকুনি শটে গোল করেন সাগরিকা। যার গোলে খেলায় সমতা ফেরায় বাংলাদেশ।

টুর্নামেন্টের বাইলজ অনুযায়ী নির্ধারিত সময় সমতা থাকলে খেলা সরাসরি টাইব্রেকারে গড়ায়। সেখানেও ১১-১১ এ সমতা হয়। এরফলে টসের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়। টস ভাগ্যে জয় হয় ভারতের।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!