শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে তিন উইকেটে ১৫৩ রান সংগ্রহ করে খুলনা টাইগার্স। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৬ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সিলেট।
সিলেটের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন হ্যারি টেক্টর ও সামিত প্যাটেল। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই সামিতকে সাজঘরে ফেরান নাহিদুল। আউট হওয়ার আগে ১৩ করেন তিনি।
.png)
এরপর বাইশ গজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ব্যাট হাতে থিতু হয়েও ব্যক্তিগত ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। দেয়ালের ঘূর্ণিতে নাহিদুলের তালুবন্দী হন এ বাঁহাতি।
পরে ক্রিজে এসেই উইকেট বিলিয়ে দেন জাকির হাসান। তিনিও দেয়ালের বলে রুবেলকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। পরপর দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে দলটি।
তবে সিলেট দলপতি মোহাম্মদ মিথুনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে বিপদমুক্ত করেন টেক্টর। সেই সঙ্গে ৫২ রানের জুটি গড়েন তারা। ম্যাচের ১৫তম ওভারে দেয়ালের ঘূর্ণিতে সাজঘরে ফেরেন মিথুন (২৪)।
অপরপ্রান্তে ব্যাট হাতে লড়াই চালিয়ে ফিফটি করেন টেক্টর। সুমনে বলে অবশ্য ৬১ রানেই থামতে হয়েছে তাকে। শেষ মুহূর্তে ঝোড়ো ব্যাটিং করে দলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন রায়ান বার্ল। তিনি ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন মার্ক দেয়াল।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন খুলনা দলপতি এনামুল হক। শুরুতে রয়ে-সয়ে পরে ঝড় তুলে দুর্দান্ত ফিফটি করেন এনামুল। ৫৮ বলে ৬৭ রান করে অপরাজি থাকেন ডানহাতি এই ব্যাটার। ৫ বাউন্ডারি ২ ছক্কায় ইনিং সাজান এনামুল। মাঝে ৬ বল খেলে মাত্র ১ রান করে উইকেট দিয়ে আসেন মাহমুদুল হাসান জয়।
এনামুল ও হাবিবুরের অপরাজিত জুটিতে ৬৭ বলে ৯৯ রান তোলে খুলনা। এটি এবারের বিপিএলে চতুর্থ সর্বোচ্চ জুটি। শেষ ৩ ওভারে ৫১ তোলেন তারা। হাবিবুর রহমান অপরাজিত ছিলেন ৩০ বলে ৪৩ রান করে। শেষ দিকে এই দুই ব্যাটারের ঝোড়ে ব্যাটিংয়ে ১৫৩ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় খুলনা।
সিলেটের হয়ে একটি করে উইকেট পান বেনি হাওয়েল, সানজামুল ইসলাম ও সামিত প্যাটেল।