ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

স্মিথকে টেস্টে ওপেনিংয়ে পাঠানো পাগলামি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮:৫২, ২২ আগস্ট ২০২৪
স্মিথকে টেস্টে ওপেনিংয়ে পাঠানো পাগলামি
স্টিভেন স্মিথ

ডেভিড ওয়ার্নারের অবসরের পর টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্টিভেন স্মিথ ওপেনিং ব্যাটার হিসেবে নামছেন । অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের ইনিংসের গোড়াপত্তনের বিষয়টিকে অবশ্য রীতিমতো পাগলামি হিসেবেই দেখছেন ম্যাথু হেইডেন। সাবেক অজি খেলোয়াড়ের মতে, স্মিথের তিন কিংবা ভার নম্বরেই ব্যাট করা উচিৎ।

টেস্টে ৫৬.৯৭ গড়ে গড়ে ৩২ সেঞ্চুরিসহ ৯,৬৮৫ রান করা স্মিথ তিন ও চার নম্বর পজিশনেই সবচেয়ে সফল। চলতি বছরের শুরুতে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো তিনি ওপেনার হিসেবে খেলেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই হোম টেস্ট এবং তারপর নিউজিল্যান্ডে আরো দুই ম্যাচের জন্য।  

আট ইনিংসে তিনি পাঁচবার ১২ বা তার কম রানে আউট হয়েছিলেন, মাত্র একটি হাফ সেঞ্চুরি ছিল। ব্রিসবেনে অপরাজিত ৯১ রানের ইনিংসটি ছাড়া উল্লেখযোগ্যভাবে বলার মতো কোনো অর্জন নেই, গড় রান ২৮.৫০। 
অথচ তিন ও চার নম্বরে তার ব্যাটিং গড় যথাক্রমে ৬৭.০৭ এবং ৪ নং থেকে ৬১.৫০।
 
হেইডেন বলেন, ‘একজন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানের তুলনায় একজন ওপেনিং ব্যাটসম্যানের ভূমিকা অনেক আলাদা। যখন আপনি চ্যালেঞ্জিং কন্ডিশনের মধ্যে পড়েন, যেমন ধরুন অস্ট্রেলিয়ার বাইরে প্রথম সিরিজে তারা মুখোমুখি হয়েছিল, ব্যাপারটা আবিষ্কার করতে আমার বেশি সময় লাগেনি। নিউজিল্যান্ডে ব্যাটিং ওপেনিং খুবই কঠিন।’ 

Advertisement

‘ব্যক্তিগতভাবে যেমনটা বলেছিলাম, আমি পরিবর্তন পছন্দ করি না। এটা ভাবা পাগলামী যে, আপনি একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে বিশ্বের ক্লাস ব্যাটার থাকার পর সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থানে তার পরিবর্তন আনবেন। কিছু কারণে আমি মনে করি এটা পাগলামি।’

অস্ট্রেলিয়া যদি স্মিথকে ওপেনিং থেকে সরিয়ে দেয়, তাহলে উসমান খাজার জন্য নতুন সঙ্গী খুঁজতে হবে। চলতি বছরের শুরুতে এসসিজিতে ওয়ার্নারের বিদায়ী টেস্টের পর থেকে স্মিথ-খাজা অস্ট্রেলিয়ার হয়ে চারটি টেস্টের সবকটিতেই ওপেন করেছেন। স্মিথকে ওপেনিং থেকে সরিয়ে দেওয়ার অর্থ, একজন অনভিজ্ঞ ব্যাটারকে সেই অবস্থানে আনা। ওয়ার্নারের বিদায়ের পর সেই জায়গাটায় উপযুক্ত কে, সেই প্রশ্ন জোরালভাবে উঠছে।

এ ব্যাপারে হেইডেনের সাফ জবাব, ‘আমাদের ক্যামেরন ব্যানক্রফটের মতো ছেলেরা সবসময় পাইপলাইনে থাকে। ম্যাট রেনশ পাইপলাইনে থাকে। ইংল্যান্ডে ব্যানক্রফ্টের ফর্ম যদি দেখেন, তখন সে দুর্দান্ত ছিল। তবে সেটা ঘরোয়া ক্রিকেট । বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির মতো ক্রিকেট নয়। তাই অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের সেই ইঞ্জিন রুম থেকে সত্যিই কিছু জিনিস প্রমাণ করতে হবে, যা ডেভিডের অনুপস্থিতিতে এখনই চ্যালেঞ্জিং হয়েছে।’

সম্প্রতি স্মিথ বলেছেন, ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে তার ব্যাটিং পজিশন কোথায় হবে এ সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। আগামী সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ডে সাদা বলের ক্রিকেটের সফরের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/শুভ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!