ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ শিল্প ও সাহিত্য ]

ঘুঘু (The Dove)

মূলঃ মাহমুদ দারবিশ (বই- মেমোরি অফ ফরগেটফুলনেস; বৈরুত, আগস্ট, ১৯৮২)
অনুবাদঃ মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ
প্রকাশিত: ১৮:২৯, ২০ মে ২০২৩
ঘুঘু (The Dove)
ছবি কৃতজ্ঞতাঃ সাইফুল আলম

“ঢেউয়ের শরীরে একটা তরঙ্গ উঠলো।
হৃদয়ের তারে একটা তরঙ্গ  উঠলো।
- তোমার দিকে কি কেউ অস্ত্র নিশানা করে আছে?

- আমার নিজের একটা আকাঙ্খা আছে, সেটিই আমাকে হত্যা করছে।
-কোথা থেকে এসেছ তুমি?
- ঘুঘু’র দেশ থেকে।
- কোথায় যাচ্ছ? 
- ঘুঘু'র দেশে। 
- ঘুঘু কী?
- হাইফা (Haifa)।
- কে তোমাকে পাঠিয়েছে?
- একটা রক্তের সূত্র।
- তোমার বয়স কত? 
- যে সময়ে একটা ঢেউ যা ফিরে আসার পর হারিয়ে যায়।
-কোথায় থাকো তুমি?
-টায়ারে (Tyre)। 
- কি করো সেখানে?
- ঈশ্বরদেরকে  উৎপাদন বা সৃষ্টি করি। 
- তোমার ঈশ্বরদের নাম কী?
- ঘুঘু।
- তুমি কি ফেদায়ী (fedayee)?
- না।
- কী চাও তুমি?
- আমি নিজহাতে আমার শরীরকে ঘুঘুর আংটির ( ring of the Dove) মধ্যে কবর দিতে চাই।” 

নোটঃ ঘুঘু এখানে শান্তির রূপক বা মেটাফর।

Advertisement
ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআরকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!