বুধবার বিকেলে রাজধানীর দক্ষিণখান থানা এলাকা থেকে তাদের আটক করে র্যাব-৪।
আটকরা হলেন- রিয়াজুল হক (৪২), মোছা. আনোয়ারা খানম আলো (৩৩), সাহেদ করিম (৪৫), রাসেল মিয়া (৩০), নয়ন মিয়া (২৮), ফয়েজ উদ্দিন (২২) ও জাকারিয়া (১৯)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি ওয়াকিটকি, দুটি ওয়াকিটকি চার্জার, স্ক্যানার দুটি, দুটি সিল, দুটি কম্পিউটার, ভর্তি ফরম ২০টি, ভিজিটিং কার্ড ১০০টি ও নগদ ৭১ হাজার ৬৭২ টাকা জব্দ করা হয়।

.png)
র্যাব-৪-এর সহকারী পরিচালক (সহকারী পুলিশ সুপার) জিয়াউর রহমান চৌধুরী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৪-এর একটি দল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর দক্ষিণখান থানা এলাকার বি-এলার্ট সিকিউরিটি সার্ভিসেস লিমিটেডের অফিসে অভিযান চালায়। অভিযানে সিকিউরিটি গার্ডে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রতারণামূলকভাবে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে প্রতারক চক্রের সাত সদস্যকে আটক করা হয়।
আরো পড়ুন> ‘তিন পরিচয়ে প্রভাবশালী’ রাশেদুল সিআইডির হাতে আটক
জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি জানান, আসামিরা সাধারণ ও নিরীহ লোকজনদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণের নগদ অর্থ প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাৎ করে আসছিলেন। তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণখান এলাকায় বি-এলার্ট সিকিউরিটি সার্ভিসেস লি. নামে অফিস চালাচ্ছিলেন।
তিনি আরো জানান, তারা বিজ্ঞাপন দিয়ে সাধারণ লোকজনকে আকৃষ্ট করত। পরবর্তীতে আসামিরা অসংখ্য লোকেদের কাছ থেকে ফরম, ইউনিফরম ক্রয় বাবদ বিভিন্ন অঙ্কের টাকা নিয়ে তাদের চাকরি না দিয়ে টাকা অত্মসাৎ করে আসছিল। ভুক্তভোগীরা তাদের টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা তাদের প্রাণনাশের হুমকিসহ বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদান করে তাদের অফিস থেকে বের করে দিতো।
আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে। ভবিষ্যতে প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে র্যাব-৪-এর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান এএসপি জিয়াউর রহমান চৌধুরী।