স্ত্রীর লাশ ঝুলিয়ে রেখে সাব্বির বললেন, ‘এশা ঘুমাচ্ছে’
রাজধানীর কদমতলীতে আল ইমরান সাব্বির নামে একজনের বিরুদ্ধে স্ত্রী ফাহমিদা ফারুকী এশাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে লাশ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ওমর ফারুক কদমতলী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
শুক্রবার দুপুরে ফাহমিদা ফারুকী এশার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।
জানা গেছে, ৮ বছর আগে ফাহমিদা ফারুকী এশার সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় আল ইমরান সাব্বিরের। তাদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই এশাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতো সাব্বির। সে মাদক ও পরকীয়ায় আসক্ত। ২২ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টার দিকে মাতাল অবস্থায় বাসায় এসে এশাকে মারধর করে।
.png)
বৃহস্পতিবার সকালে এশা তার ছোট বোনকে ফোন করে সেই ঘটনা জানায় ও ডাক্তার দেখানোর জন্য টাকা পাঠাতে বলে। ঐ সময় সাব্বির ও দুই মেয়েসহ তাকে বাসায় যেতে বলেন তার মা। কিন্তু বিকেল পর্যন্ত তারা বাসায় আসেনি। পরে কল করে এশা ও সাব্বিরের ফোন বন্ধ পান তার মা। এরপর তিনি এশার বাসায় চলে যান। সেখানে গিয়ে সাব্বিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান- এশা ঘুমাচ্ছে। কিন্তু সাব্বিরের কথায় সন্দেহ হয় এশার মায়ের। এরপর তিনি ঘরের দরজা খুলে মেয়ের লাশ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন।
নিহত ফাহমিদার বাবা ওমর ফারুক বলেন, আমার জামাই ও তার পরিবারের সদস্যরা আমার মেয়েকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে নাটক সাজিয়েছে। আমি সাব্বিরসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। কিন্তু সাব্বির ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে।
কদমতলী থানার ওসি প্রলয় কুমার সাহা বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।