গত ২১ এপ্রিল মতিঝিলে ঐ দুর্ঘটনা ঘটে। এর একদিন পর খিলগাঁওয়ের দক্ষিণ গোড়ানে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন রাহাত।
সোমবার মতিঝিল ও খিলগাঁও থানা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে তাদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
.png)
পুলিশ জানায়, নওশীন সিদ্ধেশ্বরী এলাকার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পাস করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আর রাহাত শান্তিনগরের হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বিবিএ-এর ছাত্র ছিলেন। তাদের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক ছিল।
মতিঝিল থানার এসআই মীর মো. মজাহারুল ইসলাম বলেন, গত ২১ এপ্রিল রাত ৯টার দিকে নওশীন ও রাহাত ঈদের কেনাকাটার জন্য খিলগাঁও থেকে ওয়ারিতে যাচ্ছিলেন। কাপ্তান বাজারের বিপরীতে বঙ্গভবনের দক্ষিণ পাশের রাস্তায় একটি ট্রাক তাদের ধাক্কা দেয়। এতে তারা বাইক থেকে ছিটকে পড়ে আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে চিকিৎসক নওশীনকে মৃত ঘোষণা করেন। ঐ দুর্ঘটনায় রাহাতের হাত ভেঙে যায় ও বাইকের সাইলেন্সার পাইপে পা পুড়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, বান্ধবী নওশীনের মৃত্যুর ঘটনার একদিন পর খিলগাঁওয়ের বাসায় আত্মহত্যা করেন রাহাত।
খিলগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুজিত কুমার সাহা বলেন, রোববার সকালে দক্ষিণ গোড়ানের বাসা থেকে রাহাত হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়। বন্ধু নওশীনের সঙ্গে রাহাতের ভালো সম্পর্ক ছিল। উভয় পরিবার তাদের বিষয়ে জানতো। বান্ধবীর মৃত্যুর বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি রাহাত। এ কারণেই আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।