রাজধানীর ধানমন্ডিতে পিবিআই সদর দফতরে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা জেলা ইউনিটের ইনচার্জ মো. কুদরত-ই-খুদা।
তিনি বলেন, একই পোশাক কারখানায় চাকরি করত তারা, ছিল প্রতিবেশীও। ফলে খুন হওয়া বিমলের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল অভিযুক্ত হাফেজের। বিমল মধ্যবিত্ত, আছে সচ্ছলতাও। আর এ দেখেই লোভে পড়ে যায় হাফেজ।
.png)
মো. কুদরত-ই-খুদা বলেন, গত ১৬ এপ্রিল আশুলিয়ার জামগড়ার বাড়িতে একা ছিল বিমল। সুযোগ বুঝে সেখানে প্রবেশ করে হাফেজ। বিমলকে নিচে সিগারেট আনতে পাঠিয়ে শুরু করে চুরির চেষ্টা। তবে বিমল ফিরে এসে তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। চুরির অপবাদ থেকে বাঁচতে বাসায় থাকা কাঁচি দিয়ে বিমলকে আঘাত করে হত্যা করে হাফেজ, যোগ করেন কুদরত-ই-খুদা।
পিবিআই’র কর্মকর্তা আরো বলেন, ঘটনার পর মাঠে নামে পিবিআই। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া যায় সিগারেটের অবশিষ্টাংশ। ভুক্তভোগী ধূমপান না করায় সন্দেহ হয় পিবিআইয়ের। অন্যদিকে মোহাম্মদ হাফেজও নিখোঁজ। তাই তাকে এক নম্বরে রেখে তালিকা করা হয় সন্দেহভাজনদের। সম্প্রতি হাফেজকে আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে জানা যায়, বিদেশে যাওয়ার টাকা জোগাড় করতেই চুরির পথ বেছে নিয়েছিল সে।
তিনি বলেন, প্রথমে কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে বিমলের গলার ডান পাশে আঘাত করা হয়। এর পর তার মুখের মধ্যে কাঁচি ঢুকিয়ে গলা দিয়ে বের করে হত্যা নিশ্চিত করা হয়।
এ ঘটনায় চুরি যাওয়া মালামাল দ্রুতই উদ্ধার করে বিমলের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানিয়েছে পিবিআই।