ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

আয়াতের লাশের বাকি অংশ খুঁজছে পিবিআই

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:২৮, ২ ডিসেম্বর ২০২২
আয়াতের লাশের বাকি অংশ খুঁজছে পিবিআই
শিশু আয়াত

চট্টগ্রামে আয়াতের লাশের খণ্ডিত বাকি অংশের খোঁজে কাজ করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরের ইপিজেড থানার আকমল আলী ঘাটের স্লুইসগেট এলাকায় তল্লাশি চালায় সংস্থাটি।

এর আগে বৃহস্পতিবার আয়াতের মাথা ও দুই পা উদ্ধার করে পিবিআই। রাতে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, বিভিন্নভাবে ভাগ হয়ে আয়াতের লাশের বাকি অংশের খোঁজে তল্লাশি অভিযান চালায় পিবিআইয়ের ৩৫ জনের একটি দল। আবিরের তথ্যমতে এ অভিযান চালানো হয়। ভাটা থাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তল্লাশি করেও কোনো কিছুর সন্ধান মেলেনি।

Advertisement

আয়াত নিখোঁজের ৯ দিনের মাথায় ২৪ নভেম্বর রাতে আকমল আলী সড়কের পকেট গেট এলাকা থেকে আবিরকে আটক করে পিবিআই। আটকের পর তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদে খুলে ঘটনার জট। পিবিআই’র কাছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য দিতে থাকেন আবির। এরপরই তাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে হত্যায় ব্যবহৃত বঁটি ও অ্যান্টি কাটার উদ্ধার করে পিবিআই। উদ্ধার করা হয় আয়াতের জুতাও।

১৫ নভেম্বর বিকেলে পাশের মসজিদে আরবি পড়তে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয় পাঁচ বছর বয়সী আলিনা ইসলাম আয়াত। ওই ঘটনায় একই দিন রাতে ইপিজেড থানায় জিডি করেন তার বাবা। সন্তানের সন্ধান না পেয়ে নাওয়া-খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন বাবা সোহেল রানা ও মা তামান্না খাতুন। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব, থানা-পুলিশ ও হাসপাতাল ঘুরেও পাননি আদরের সন্তানকে। পরে সন্ধান দিলে পুরস্কারের ঘোষণাও দিয়েছিল পরিবার। পিবিআই বলছে, ছয় থেকে সাত লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করার পরিকল্পনা ছিল আবিরের। অপহরণের পর শিশুটি চিৎকার করলে তাকে গলা টিপে হত্যা করে আবির। পরে তার লাশ ছয় টুকরা করে ফেলে দেন তিনি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!