বৃহস্পতিবার কর্পোরেশনের আওতাধীন বড় মগবাজার, উত্তর কমলাপুর, জসিম উদ্দিন রোড, বকশিবাজার, আলী হোসেন খান লেন, বেচারাম দেউড়ি, নূর বক্স লেন, মধ্য নন্দীপাড়া গোলার বাড়ি, রানিমহল ও ডেমরা এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়।
এক নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুল হাসান রুমি ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বড় মগবাজার এলাকায় ৪২টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় একটি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় ১ মামলায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
.png)
দুই নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাসলীমা বেগম ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কমলাপুর ও জসিম উদ্দিন রোডে ৪৮টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করেন। এসময় একটি বাসাবাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়ায় এক মামলায় ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
তিন নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজমুল হুসেইন খান ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বকশিবাজার এলাকায় ৫২টি বাসাবাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করেন। এসময় দুটি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় দুই মামলায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
চার নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের আলী হোসেন খান লেন, বেচারাম দেউড়ি ও নূর বক্স লেন এলাকায় ৫৭টি স্থাপনা ও বাসাবাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। আদালত এসময় কোনো স্থাপনায় মশার লার্ভা পাননি।
পাঁচ নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মৌসুমি জেরিন কান্তা ৪৯ ওয়ার্ডে ৪০টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় দুটি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় দুই মামলায় ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
ছয় নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী শুভাশিস ঘোষ ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য নন্দীপাড়া ও গোলার বাড়ি এলাকায় ৪০টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন। আদালত এসময় কোনো স্থাপনায় মশার লার্ভা পাননি।
আট নম্বর অঞ্চলে নির্বাহী পংকজ চন্দ্র দেবনাথ ৬৮ নম্বর ওয়ার্ডের রানিমহল ও ডেমরা ৫৯টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন। আদালত এসময় কোনো স্থাপনায় মশার লার্ভা পাননি।
দশ অঞ্চলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনজুর হোসেন ৬০ নম্বর ওয়ার্ডে ৪০টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করেন। আদালত এ সময় দুটি স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়ায় দুই মামলায় ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।
আজকের অভিযানে সর্বমোট ৩৭৮টি বাসাবাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করা হয়েছে। এসময় ৮টি বাসাবাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় ৮ মামলায় সর্বমোট ৯৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।