ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

রাতের সড়কে গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজি, র‌্যাবের অভিযানে আটক ৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:৩৭, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
রাতের সড়কে গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজি, র‌্যাবের অভিযানে আটক ৩২
ছবি: সংগৃহীত

লেজার লাইটের ইশারায় গাড়ি থামিয়ে চাঁদা আদায়কারী চক্রের ৩২ জনকে আটক করেছে র‌্যাব-১। বুধবার রাত ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরা র‍্যাব-১ এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাক আহমেদ। 

আটকৃকতরা হলো- রাকিব হাসান রাব্বি (২০), টুটুল ইসলাম (১৯), ইমন (১৮), মো. ইফসুফ (২২), মো. জোনায়েত (১৯), মো. সিয়াম (১৮), মো. হাবিবুল্লাহ (৩৫), মো. জিহাদুর রহমান (২৪), মো. জাহিদুল ইসলাম ওরফে জাহিদ (২৪), মো. আকাশ মিয়া (২৬), মো. নান্নু হোসেন (২৭) ও মো. মাসুদসহ (৪০) ৩২ জন। 

Advertisement

এ সময় তাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের নগদ এক লাখ দুই হাজার ৮৬৫ টাকা, ছয়টি টর্চলাইট, তিনটি টার্গেট লাইট, একটি চার্জার লাইট, ২৯টি চাঁদা আদায়ের রশিদ, চারটি রিফ্লেক্টিং বেস্ট জ্যাকেট, দুইটি লাঠি ও ২৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোস্তাক আহমেদ বলেন, চক্রটি সড়ক ও মহাসড়কে সবজিসহ অন্যান্য পণ্যবাহী গাড়ি থেকে চাঁদা উত্তোলন করতো। বিশেষ করে মধ্যরাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যখন পণ্যবাহী ট্রাক ঢাকা প্রবেশ করে তখন তারা চাঁদা আদায় করতো। এ চক্র ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিরাতে পণ্যবাহী গাড়ির চালকদের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করে আসছিল। 

তিনি বলেন, আককৃতরা কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে রাতে সড়কে অবস্থান নেয়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পণ্যবাহী যানবাহন রাজধানীতে প্রবেশের সময় তারা রিফ্লেক্টিং বেস্ট জ্যাকেট, লেজার লাইট, লাঠি ও বিভিন্ন সংকেতের মাধ্যমে গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভারদের কাছ থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা চাঁদা আদায়ের রশিদও প্রদান করে। ড্রাইভাররা তাদের চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাদের গাড়ি ভাঙচুর ও ড্রাইভার-হেলপারকে মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। 

র‍্যাব কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ বলেন, তারা প্রতিটি ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহন থেকে ২০০-৩০০ টাকা চাঁদা আদায় করে। যারা কারসাজির মাধ্যমে নিত্যপণ্যের অবৈধ মজুত করবে তাদের সম্পর্কে তথ্য দিয়ে র‌্যাবকে সহায়তা করতে হবে। এক্ষেত্রে তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআরকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!