রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাতে এ ঘটনা ঘটে। ঐ রাতেই ঐ নারীকে সিজারের পর জন্ম নেয়া নবজাতকটি মারা যায়। বুধবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ঐ নারীর।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘরে ঢুকেই এক যুবক সীমাকে আক্রমণ করে। এ সময় সীমা জানান, তিনি অন্তঃসত্ত্বা। তবুও তার পেটে ছুরি চালায় ঐ যুবক। এরপর সীমা নিজেই সাহায্যের জন্য ঘর থেকে বেরিয়ে আসে। স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ঐ নারীর সিজারে ছেলে ভূমিষ্ঠ হয়। তবে রাতেই মারা যায় নবজাতকটি। এরপর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে বুধবার বেলা বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সীমাও। তবে ঘাতক যুবককে সীমা চিনতে পারেননি বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
.png)
নিহতের ভাই নাসির বলেন, ‘গত রাতে এক যুবক ছুরি হাতে আমাদের বাসার ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় বোন আর চার বছরের ভাগনে বাসায় ছিল। ঐ যুবক কিছু না বলেই ধারালো অস্ত্র নিয়ে সীমার দিকে তেড়ে যায়। তখনই সীমা বলে ওঠে- আমাকে মারবেন না, আমার পেটে সন্তান আছে। সীমার কথা না শুনেই পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় ঐ যুবক। বোন তাকে চিনতে পারেনি।’
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, যাত্রাবাড়ী থেকে ছুরিকাঘাতে আহত এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ভর্তি করা হয়। রাতেই সিজারের মাধ্যমে ডেলিভারি করা হয়। তবে, নবজাতকটি মারা যায়। আজ বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ঐ নারীও। তার পেটে ছুরিকাঘাত রয়েছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।