বুধবার ব্যাটালিয়নের প্রধান কার্যালয়ের বাস্কেটবল মাঠে সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও সেবন রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এককভাবে কাজ করলে হবে না। বিভিন্ন স্তরের নাগরিকদের অংশগ্রহণ থাকলে মাদক থাকবে না। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
.png)
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মিজ সুনন্দা রায়, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন পাহলোয়ান, জেলা বিশেষ শাখার এএসপি মো. আনিছুর রহমান খান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উপ-পরিদর্শক মো. হুমায়ন কবির ও পরিবশে অধিদফতরের ইন্সপেক্টর হারুনুর রশিদ পাঠানসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তারা।
এর আগে ২০১৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ জুন পর্যন্ত পাঁচ কোটি ছয় লাখ ৬৩ হাজার ২শ টাকা মূল্যের মাদক আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংস করা হয়। এর মধ্যে ছিল ৩৬ হাজার ৮৭ বোতল বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় মদ, ১ হাজার ৬৫৯ লিটার বাংলা মদ, ১ হাজার ৮১২ বোতল ভারতীয় বিয়ার, ২ হাজার ২৭২ বোতল ফেনসিডিল, ২৫৭টি ইয়াবা, ১০ কেজি গাঁজা, ৩ লাখ ৮৪ হাজার ভারতীয় সিগারেট।
ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর