এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই বখাটেকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন জনতা। আটকরা হলেন কুর্শির নোয়াগাঁও গ্রামের আফাছ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহিম ও শেকুল মিয়া।
অপর একটি সুত্রে জানায়-ইয়াসমিন আক্তারের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়াধি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল আফাস উদ্দিনের সাথে। এরই জের ধরে তার পুত্র এ হামলা চালিয়েছে।
.png)
এ ব্যাপারে স্কুলের পরিচালনা কমিটির সভাপতি সৈয়দ খালেদুর রহমান খালেদ বলেন, ইয়াসমিন আক্তার বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে আব্দুর রহিম ও শেকুল তাকে উত্যক্ত করে। এসময় ইয়াসমিন তাদের বাঁধা দিলে তারা উত্তেজিত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে বখাটেরা ইয়াসমিনকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করে গুরুতর আহত করে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে ইয়াসমিনকে উদ্ধার এবং হামলাকারী দুই বখাটেকে আটক করে নবীগঞ্জ থানা পুলিশে সোপর্দ করে।
ঘটনার খবর পেয়ে আমি তাৎক্ষণিক পুলিশকে জানাই। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে দুই বখাটেকে আটক করে থানায় নিয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। দুইজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। অপরদিকে ইয়াসমিন আক্তারের উপর বখাটেদের হামলার ঘটনায় দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তার সহপাঠিরা।
ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস