অভিযোগপত্র অনুযায়ী, সম্প্রতি চরপাঁকা মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি ভবন বরাদ্দ পায়। স্কুল চত্বরে টিনশেডের পুরাতন তিনটি শ্রেণিকক্ষ কোনো নিয়ম না মেনে টেন্ডার ছাড়াই ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন প্রধান শিক্ষক শামসুল হক। সেই টাকা তিনি আত্মসাৎ করেন।
স্থানীয় আল আমিন জুয়েল জানান, প্রধান শিক্ষক কাউকে না জানিয়ে বিদ্যালয়ের তিনটি ঘর বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। বিক্রি করা ঘরগুলোতে অন্তত ২০ বান্ডিল টিন ছিল। যার বাজার মূল্য লাখ টাকার উপরে। বিদ্যালয়টির বিক্রিত তিনটি ঘর পল্লী ক্লিনিক হিসেবে ব্যবহার করছেন এক ক্লিনিক মালিক। এরইমধ্যে অনিয়মের প্রতিকার পেতে বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
.png)
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষ শামসুল হক জানান, টেন্ডার ছাড়া কমিটির অনুমোদন নিয়ে ৪০ হাজার টাকায় একটি টয়লেটের নষ্ট টিন বিক্রি করেছেন।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জের ইউএনও চৌধুরি রওশন ইসলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।