বাড়িগুলো হলো- নগরীর জিতু মিয়ার বাড়ি, বঙ্কন বাবুর বাড়ি ও ব্যবসায়ী মিজান আজিজ চৌধুরী সুইটের পৈতৃক বাড়ি।
পরিদর্শনের সময় প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. হান্নান মিয়া বলেন, সিলেট একটি প্রাচীন জনপদ। এর নিজস্ব স্বকীয়তা রয়েছে। একটি গৌরবময় সংস্কৃতির উত্তরাধিকার হচ্ছে জনপদটি। এ অঞ্চলেই রয়েছে প্রাগৈতিহাসিক ও ঐতিহাসিক সময়ের অনেক নিদর্শন, স্থান ও স্থাপনা। কিন্তু প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের নিজস্ব কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে এখানে জাদুঘর ও বিভাগীয় কার্যালয় চালু করতে পারছিল না। কুমিল্লা কার্যালয় থেকে এতোদিন কার্যক্রম চলছিল। ফলে এখানে বিভাগীয় কার্যালয় ও জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এছাড়া স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে এ দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
.png)
তিনি আরো বলেন, সিলেটে প্রতিদিন শত শত পর্যটক বেড়াতে আসেন। তারা এখানে নৈসর্গিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্রতা উপভোগ করতে পারেন। তবে এখানকার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও হেরিটেজ দেখা থেকে বঞ্চিত হন। বিভাগীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হলে পর্যটকরা এখানকার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক নিদর্শন দেখার সুযোগ পাবেন।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের আঞ্চলিক পরিচালক ড. মো. আতাউর রহমান, ব্যবসায়ী মিজান আজিজ চৌধুরী সুইট, সেভ দ্য হেরিটেজ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’র প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল হাই আল হাদী প্রমুখ।
৪ ও ৫ নভেম্বর প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক ড. মো. আতাউর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম সিলেট বিভাগীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর ও বিভাগীয় প্রত্নতাত্ত্বিক অফিস স্থাপন প্রকল্পের জন্য বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। সেই টিম সম্ভাব্য তিনটি স্থান নির্বাচন করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠান। পাঠানো প্রতিবেদনে দেয়া তিনটি স্থান পরিদর্শনে আসেন মহাপরিচালক।