সরেজমিনে দেখা গেছে, বাড়িতে চারটি চুলায় আখের রসের লুচা তৈরি করছে আহাম্মদ আলীর পরিবারের লোকজন।
আহাম্মদ আলী বলেন, এক সময় এ অঞ্চলে ধান চাষ হতো না। অধিকাংশ জমিতেই আখ চাষ হতো। এখন সবাই কৃষি পেশা ছেড়ে দিয়েছে। আমি পরিবারের ঐতিহ্য ধরে রাখতে প্রতি বছর কম-বেশি আখ চাষ করি।
.png)
তিনি আরো বলেন, এবার সাড়ে তিন একর জমিতে চাষ করেছি। ভালো ফলনও পেয়েছি। ইচ্ছা আছে আগামীতে সাত একর জমিতে আখ চাষ করার।
আখচাষি আহাম্মদ আলী বলেন, এবার পাইকারি চিনি বিক্রি করেছি মণপ্রতি তিন হাজার টাকার, খুচরা চার হাজার টাকায়। এছাড়া আখের রসের লুচা বিক্রি করেছি একশ’ টাকা কেজি। বছরে ১৫-২০ হাজার টাকা আয় করতে পারি।
নান্দাইল উপজেলা কৃষি অফিসার হারুন অর রশিদ জানান, এবার নান্দাইলে ৩৫ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হবে।