সাহেদের গ্রেফতার হওয়ার দৃশ্য দেখতে আসা সাতক্ষীরা পৌরসভার কমিশনার শফিকউদৌলা সাগর বলেন, বিশ্ব যখন করোনা মহামারিতে মৃত্যুর মিছিলে আক্রান্ত তখন এমন একটি স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে যে প্রতারণা করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। তার গ্রেফতারে পুরো সাতক্ষীরাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করছে।
বুধবার ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্তবর্তী কোমরপুর গ্রামের ইছামতি নদীর তীর থেকে একটি গুলিভর্তি পিস্তলসহ সাহেদকে র্যাব- ৬ এর সাতক্ষীরা কমান্ডার সিনিয়র এএসপি বজলুর রশিদের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল আটক করে।
.png)
র্যাব থেকে জানানো হয়, সাহেদ ভারতের খুব কাছাকাছি ছিল। যদি সে সেখান থেকে পেরিয়ে যেতো তাহলে তাকে আইনের আওতায় আনা বেশ কঠিন হয়ে যেতো।
গ্রেফতারের পর র্যাবের হেলিকপ্টারে করে সাহেদকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। হেলিকপ্টার উড্ডয়নকালে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে জনৈক নারায়ণ সরকার বলেন, সাহেদের বোরকা পরে পালিয়ে যাওয়ার চিত্রটি ছিল বেশ মজার। এত প্রভাব খাটানো সেজে থাকা বাঘকে আজ যেন ভেজা বিড়াল মনে হচ্ছিল।
সাহেদ বোরকা পরিহিত অবস্থায় বুধবার ভোর ৫ টা ২০ মিনিটে র্যাবের বিশেষ অভিযানে দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর সীমান্ত থেকে একটি অবৈধ অস্ত্রসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি জনৈক বাচ্চু দালালসহ কয়েকজন দালালের মাধ্যমে সীমান্ত নদী ইছামতি দিয়ে নৌকায় ভারতে পালিয়ে যাচ্ছিলেন।