ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার হুমায়ূন কবির জানান, খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করে। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় মানিকগঞ্জ থেকে তিনটি ও আশুলিয়ার ডিইপেজেড থেকে আরো একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিকাশ জানান, কারখানার পাঁচ তলার স্টোরে আগুন লেগে হঠাৎ কালো ধোঁয়া বের হতে থাকে। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। কারখানায় রাতের শিফট শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে আগুন লাগে; ফলে ওই ভেতরে কোনো শ্রমিক ছিলেন না।
.png)
ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের জুনিয়র স্টেশন অফিসার ওহিদুল ইসলামের কাছে আগুনের সূত্রপাতের কারণ জানতে চাইলে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।
কারখানার মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আসাদুজ্জামান বলেন, আগুনে কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে নির্ণয় করা যায়নি। তবে বিপুল পরিমাণ কাপড়, কাটা কাপড় ও যন্ত্র পুড়ে গেছে। আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।