ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

প্রদীপের আলো হয়ে এলো, একদিন পরে চলেই গেল

চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:০২, ১৬ আগস্ট ২০২০
প্রদীপের আলো হয়ে এলো, একদিন পরে চলেই গেল
একে একে মারা গেল সেই ৫ নবজাতক। ছবি: সংগৃহীত

প্রদীপের আলো হয়ে মারুফার কোলে এসেছিল পাঁচ শিশু। নবজাতকদের আগমনে সবার চোখে-মুখে ছিল আনন্দের বন্যা। কিন্তু রাত পোহাতেই পাল্টে গেল পুরো দৃশ্য। কান্না আর ভারাক্রান্ত মনে ভারী হলো বাতাস। কেউ কি ভেবেছিল? একে একে নিভে যাবে পাঁচটি সদ্যজাত প্রাণ! নির্মম ও অকল্পনীয় এ ঘটনা ঘটেছে চাঁদপুরের কচুয়ায়।

শনিবার রাতে কচুয়া টাওয়ার হাসপাতালে অপরিণত সময়ে একসঙ্গে জন্ম হয় পাঁচ শিশুর। এর মধ্যে ৪ ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রসবের পরপরই তিন শিশু মারা যায়। রাতেই জীবিত অন্য দুই শিশু নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন মারুফা বেগম। বাকি দুই শিশুও রোববার সকালে মারা যায়।

এ ঘটনায় খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে হইচই পড়ে যায়। পাঁচ নবজাতককে দেখার জন্য হাসপাতালে রীতিমত ভিড় জমে যায়। এমনকি দুই শিশু নিয়ে বাড়ি যাওয়ার পরও অনেকেই তাদের দেখতে যান। কিন্তু ভোর হতেই পুরো বাড়িতে নেমে আসে শোকের ছায়া। পুরো এলাকায় নেমে আসে নিস্তব্ধতা।

Advertisement

এর আগে, শনিবার রাত সাড়ে আটটায় প্রসব ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মারুফা বেগম এক প্রসূতি। প্রসূতির বর্ণনা শুনে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করেন। এসময় প্রসব ব্যথা তীব্র হতে শুরু করলে মারুফা বেগমকে দ্রুত অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়। সেখানে স্বাভাবিকভাবে চারটি ছেলে এবং একটি মেয়ে সন্তান প্রসব করেন।

কচুয়া টাওয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক সিনথিয়া সাহা জানান, মূলত অপরিণত হয়ে জন্ম হওয়ায় পাঁচ শিশুই মারা যায়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!