বুধবার দুপুরে টেকনাফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৩ আদালতে এজাহারটি করা হয়। এজাহারটি পর্যালোচনা করে আদালত আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ সংক্রান্ত টেকনাফ থানায় করা মামলার বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করতে আদেশ দিয়েছে আদালত।
আরো পড়ুন: ওসি প্রদীপের গায়ে ৮ দিন ধরে এক জামা-উৎকট গন্ধ
.png)
এজাহারটি করেন টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউপির মৌলভীবাজার এলাকার মিয়া হোসেনের ছেলে নুরুল হোসাইন। তিনি নিহত মাহমুদুর রহমানের ভাই। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. কাসেম আলী।
অভিযুক্তরা হলেন- টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, ওসি (তদন্ত) এবিএমএস দোহা, এসআই দিপক বিশ্বাস, এসআই জামসেদ আহমদ, এসআই দীপংকর কর্মকার, এএসআই হিল্লোল বড়ুয়া, এএসআই ফরহাদ হোসেন, এএসআই আমির হোসেন, এএসআই সনজিৎ দত্ত, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, কনস্টেবল সাগর দেব, কনস্টেবল হৃদয়, ব্যাটালিয়ন কনস্টেবল সৈকত, ব্যাটালিয়ন কনস্টেবল প্রসেনজিৎ, ব্যাটালিয়ন কনস্টেবল উদয়, চালক জহির, হ্নীল সিকদার পাড়ার মোস্তফা কামালের ছেলে নুরুল আমিন ওরফে নুরুল্লাহ দফাদার, একই এলাকার আবু শামার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, নাটমুরাপাড়ার নজির আহমদের ছেলে নুরুল হোসাইন, সিকদারপাড়ার আলোর ছেলে ভুট্টো, তোফায়েল আহমদের ছেলে আনোয়ারুল ইসলাম ননাইয়া, পূর্ব পানখালীর আবুল হাশেমের ছেলে নুরুল আলম, নবী হোসেনের ছেলে নুরুল আমিন।
আরো পড়ুন: ‘পরেরবার এসে জীবন নিয়ে যাব’
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বিদেশ থেকে ফেরার পর মাহমুদুর রহমানের কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করে পুলিশ। টাকা না দেয়ায় ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ এসআই দীপকের নেতৃত্বে মাহমুদুর রহমানকে আটক করা হয়। ছেড়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে পাঁচ লাখ টাকা দিলেও ৩১ মার্চ রাতে ক্রসফায়ারের নামে তাকে হত্যা করা হয়।
পরিকল্পিতভাবে মাহমুদুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করছেন বাদী নুরুল হোসাইন।