গত বুধবার গভীর রাতে ঘোড়াঘাটে সরকারি বাসায় হামলার শিকার হন উপজেলা ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা। এরপর তাকে ও তার বাবাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার বাবা চিকিৎসাধীন আছেন। তবে ইউএনওর অবস্থার অবনতি হওয়ায় দুপুরে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেয়া হয়। পরে তাকে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে হাসপাতালের পরিচালক কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানমের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় এবং তার মাথার খুলি ভেঙে ভেতরে ঢুকে যাওয়ায় এখন অস্ত্রোপচার কিংবা বিদেশে নেয়া সম্ভব না।
.png)
দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ মাহমুদ বলেন, বুধবার রাতের কোনো একটা সময় হামলা হয়েছে। ঠিক কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ইউএনও ওয়াহিদা খানমের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। সকাল থেকে লিকুইড জাতীয় খাবার খাচ্ছেন। রোববার সকালে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রধান অধ্যাপক জাহেদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ওয়াহিদা খানমের কনসাস লেভেল এবং আর সব প্যারামিটার ভালো। তবে শরীরের একটা অংশ অবশ। ডান পাশের অংশের উন্নতি নেই। মধ্যরাতে ওয়াহিদার অস্ত্রোপচারের পর আজ পর্যবেক্ষণের ৭২ ঘণ্টা শেষ হবে। সোমবার সকালে আবারো তার অবস্থার পর্যালোচনা করা হবে।
ঘোড়াঘাট থানার ওসি বলেন, ইউএনওর বাসার সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। দোষীদের শনাক্ত করে কয়েকজনকে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।