ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

জবানবন্দি দিলেন এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

সিলেট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫:৩৪, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
জবানবন্দি দিলেন এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ
ধর্ষক সাইফুর ও অর্জুন

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার দুপুরে তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন সিলেটের মহানগর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (তৃতীয়) আদালতের বিচারক শারমিন খানম নীলা।

এর আগে, ওই গৃহবধূকে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টার থেকে আদালতে নিয়ে যান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরান থানার ওসি (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য।

আরো পড়ুন: যেভাবে গ্রেফতার হলেন ধর্ষক সাইফুর

Advertisement

এদিকে, একইদিন ভোরে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে ও চার নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা পৃথকভাবে সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার বিকেলে স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়েছিলেন এক গৃহবধূ। সন্ধ্যায় তাদের কলেজ থেকে ছাত্রাবাসে ধরে নিয়ে যায় কয়েকজন যুবক। এরপর দুইজনকে মারধর করে স্বামীকে বেঁধে রেখে তার সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণ করে তারা। খবর পেয়ে রাতে ছাত্রাবাস থেকে ওই দম্পতিকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূকে ওসমানী হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

আরো পড়ুন: যেভাবে গ্রেফতার হলেন ধর্ষক অর্জুন লস্কর

এ ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করে শনিবার সকালে শাহপরান থানায় মামলা করেন ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর স্বামী।

মামলার আসামিরা হলেন- সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, রবিউল হাসান ও মাহফুজুর রহমান মাসুম। তাদের মধ্যে চারজন এমসি কলেজেরই শিক্ষার্থী।

মামলার পরই আসামিদের গ্রেফতারে অভিযানে নামে পুলিশ। শুক্রবার রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগান, চারটি দা, একটি ছুরি ও দুটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে অস্ত্র আইনেও একটি মামলা করে পুলিশ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!