ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বাসর রাতেই নববধূ বুঝতে পারেন স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত

পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০৯:২৮, ৮ অক্টোবর ২০২০
বাসর রাতেই নববধূ বুঝতে পারেন স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত
বিলকিস খাতুন ছবি: সংগৃহীত

বিয়ের মাত্র আড়াই মাসেই স্বামীর পরকীয়া আর চাহিদা মোতাবেক যৌতুক না দিতে পারায় নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে বিলকিস খাতুনকে।  

মঙ্গলবার রাতে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউপির হাটবাড়িয়া বোয়ালমারী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্বামী রবিউল ইসলাম সাঁথিয়া উপজেলার হাটবাড়িয়া গ্রামের জালাল মিয়ার ছেলে আর বিলকিস ক্ষেতুপাড়া ইউপির বিষ্ণুপুর গ্রামের দুদু মিয়ার মেয়ে। তাদের গত ২২ জুলাই পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়।

Advertisement

রবিউল ইসলাম পরকীয়ায় আসক্ত বলে তার স্ত্রী অভিযোগ করেছেন। পরকীয়া ঢাকতেও তার ওপর নানা অজুহাতে নির্যাতন চালানো হয় বলে তার অভিযোগ।

বুধবার বিকেলে হাসপাতালের বেডে শুয়ে বিলকিস খাতুন জানান, তার বাড়ির লোকজন খবর পেয়ে বুধবার তাকে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। এইচএসসি পাস করার পর তাকে পরিবারের লোকজন বিয়ে দেন। বিয়ের সময় রবিউলকে দুই লাখ টাকা যৌতুক দেয়া হয়।

তিনি আরো জানান, বাসর রাতেই তিনি বুঝতে পারেন স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত। এজন্য বিয়ের কয়েকদির পর থেকেই নানা অজুহাতে তার ওপর শুরু হয় নির্যাতন। বাবার বাড়ি থেকে আরো যৌতুক এনে দেয়ার জন্য শাশুড়ি নির্যাতন চালাতে থাকেন। ছেলের দোষ ঢাকতে তার ওপর শাশুড়ির নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকে। মঙ্গলবার রাতে স্বামী ও শাশুড়ি মিলে তাকে কাঠ ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন।

রবিউলের ভায়রা ইমারত আলী জানান, বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিলকিসের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে।

সাঁথিয়া হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বিলকিসের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
 
সাঁথিয়া থানার ওসি আসাদুজ্জামান বুধবার রাতে জানান, এ ব্যাপারে কেউ কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত করেননি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!