গ্রেফতার মো. আসাদুজ্জামান খুলনার কসবা উপজেলার উত্তর বেতকাশি গ্রামের মোবারক আলীর ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে শ্রীপুরের ধলাদিয়ার রাজ্জাক মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। একইসঙ্গে ধলাদিয়া মহিলা মাদরাসায় শিক্ষকতা করতেন।
র্যাব-১-এর গাজীপুর সিপিসির কমান্ডার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর পরিবার হতদরিদ্র। কম খরচে থাকা-খাওয়াসহ মাদরাসায় ভর্তির সুযোগ করে দেয়ার কথা বলে তাকে ধলাদিয়া এলাকায় নিয়ে যান আসাদুজ্জামান। পরে মাদরাসায় ভর্তি না করে ওই এলাকার একটি নির্জন বাড়ির গোপন ঘরে বন্দি করে দিনের পর দিন ছাত্রী ধর্ষণ করতেন ওই শিক্ষক। একইসঙ্গে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করতেন। ছাত্রীর বাবা মোবাইলে কল দিয়ে মেয়ের খোঁজ-খবর জানতে চাইলে মেয়ে ভালো আছে-লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত আছে বলে জানান ধর্ষক আসাদুজ্জামান।
.png)
র্যাব কর্মকর্তা মামুন আরো জানান, প্রায় তিন মাস অতিবাহিত হলে বাবার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। কয়েকদিন আগে মাদরাসায় গিয়ে বাবা জানতে পারেন, মেয়ে সেখানে নেই। ভর্তি করা হয়নি। এরপর তিনি মেয়েকে উদ্ধারের জন্য র্যাব-১ কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে শিক্ষক আসাদুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যে ছাত্রীটিকে উদ্ধার করা হয়।