হাসান খান ও নাজমুল ইসলাম নামে ওই দুই প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রায়হানের আর্তচিৎকার শুনে তারা কেঁপে উঠেছিলেন।
আরো পড়ুন: কী ঘটেছিল সেই রাতে? ভয়ঙ্কর বর্ণনা দিলেন অটোচালক
.png)
ব্যবসায়ী হাসান খান জানান, ১০ অক্টোবর রাত ২ টায় হোটেলে ফেরেন তিনি। তারপর হাত-মুখ ধুয়ে সামান্য বিশ্রাম নিতেই হোটেল লাগোয়া সিলেট নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ভেসে আসে বুক ফাটা আর্তনাদ। সেই সঙ্গে বাঁচার আকুতি।
আরো পড়ুন: কাগজে লেখা নম্বরটিই বলে দিল হত্যার রহস্য
তিনি বলেন, নির্মমতা এতোই বেশি ছিল যে বৃষ্টির শব্দ ভেদ করেও আসে সেই আর্তনাদের শব্দ।
হোটেলের আরেক বাসিন্দা নাজমুল ইসলাম জানান, যেখানে শুধু রায়হানই প্রথম নয়, প্রায়ই এমন বাঁচার আকুতি বা আর্তনাদ কানে আসতো।