শনিবার রাতে বন্দরের লাউসার এলাকার ইসলাম মিয়ার ছেলে রিপন ও তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রাব্বিউল ওরফে রাব্বির নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন রিনজু বেগম। রাব্বিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের লাউসার এলাকার একটি পুকুর থেকে শিশু আরাফাতের লাশ উদ্ধার করা হয়। সে মদনপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার রফিকুল ইসলাম ওরফে মনা মেম্বারের ছেলে।
.png)
মামলার এজাহারে রিনজু বেগম উল্লেখ করেন, তার চাচাতো দেবর জহিরুল ইসলাম জীবিকার তাগিদে বর্তমানে কুয়েতে আছেন। স্বামীর অবর্তমানে একই এলাকার ইসলাম মিয়ার ছেলে রিপনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে জহিরুলের স্ত্রী। বিষয়টি জানাজানি হলে মনা মেম্বার দুজনকে শাসন করেন। দুই মাস আগে জহিরুলের স্ত্রীকে নিয়ে কক্সবাজার ঘুরে আসে রিপন। মনা মেম্বার এর প্রতিবাদ করলে বিরোধের সৃষ্টি হয়। তারা মনা মেম্বরকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
১৫ ডিসেম্বর রাতে ব্যাডমিন্টন খেলার কথা বলে আরাফাতকে ডেকে নিয়ে যায় রিপন ও তার বন্ধু রাব্বি। ১৮ ডিসেম্বর বাড়ির পাশের একটি পুকুরে আরাফাতের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়।
বন্দর থানার ওসি ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া জানান, নিহত আরাফাতের মা রিনজু বেগম দুইজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন। দুই নম্বর আসামি রাব্বিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।