মঙ্গলবার বিকেলে জবানবন্দিতে ফরহাদ জানান, নিহত রিকশাচালক ইদ্রিস আলীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ছিল ফরহাদের। একাধিকবার তাদের শারীরিক সম্পর্ক হাতেনাতে ধরে ফেলেন ইদ্রিস। এ কারণেই তাদের মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি হয়। পরে স্ত্রীর সঙ্গে পরিকল্পনা করে ইদ্রিসকে হত্যা করেন ফরহাদ।
৪ জানুয়ারি রাতে পার্শ্ববর্তী আন্ধারমানিক গ্রামের নির্জন স্থানে নিয়ে হত্যা করা হয় ইদ্রিস আলীকে। এরপর ফরহাদের চারজন প্রতিপক্ষের মোবাইল নম্বর ইদ্রিস আলীর পকেটে রেখে যায় হত্যাকারীরা। হত্যার দিনই মামলা করেন নিহতের ছেলে নয়ন হোসেন।
.png)
মানিকগঞ্জ সদর থানার এসআই টুটুল জানান, আসামি ফরহাদ ও তার এক সহযোগী মিলে গলায় মাফলার পেঁচিয়ে ইদ্রিস আলীকে হত্যা করে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিহতের পকেটে নিরপরাধ চারজনের মোবাইল নম্বর রেখে যায় হত্যাকারীরা। ঘটনাস্থল সংলগ্ন সড়কের পাশে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। এরপর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মূল পরিকল্পনাকারী ফরহাদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।