বৃহস্পতিবার সকালে এ খনন কাজের উদ্বোধন করেন কাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী ও ইউএনও জাহিদ হাসান সিদ্দিকী। এখন থেকে এ উপজেলায় প্রায় আড়াই কোটি টাকার ফসল বেশি উৎপাদিত হবে।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, দীর্ঘ দুই যুগ ১৫শ’ বিঘা তিন ফসলি জমি জলাবদ্ধ হয়েছিল। এসব জমি বছরের ৯ মাসই পানির নিচে থাকত। এতে প্রায় আড়াই কোটি টাকার ফসল উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন তারা।
.png)
ইউএনও জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, দেশে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এক ইঞ্চি মাটিও পতিত রাখা চলবে না। এ কারণেই এসব জমি জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করে চাষযোগ্য করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
কাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী বলেন, পর্যায়ক্রমে এ উপজেলার অন্যসব জলাবদ্ধ জমিও মুক্ত করা হবে।