তারা হলেন, পিএম (পারুল) হোমিও ল্যাবরেটরিজের মালিক নুরুন্নবী, শহরের গালাপট্টি মুন হোমিও হলের মালিক আব্দুল খালেক, হাসান হোমিও ফার্মেসির কর্মচারী মো. আবু জুয়েল ও করতোয়া হোমিও হলের মালিক মো. শহিদুল আলম সবুর।
বগুড়ায় বিষাক্ত মদপানে আটজনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া সদর থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশের এসপি আলী আশরাফ ভূঞা।
.png)
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, এ ঘটনায় বুধবার পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
মৃতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ পর্যন্ত জেলায় অন্তত ১৬ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের নিশ্চিত করা ব্যক্তিরা বাদে অন্যরাও বিষাক্ত মদপান করেছিলেন।
বিষাক্ত মাদক বিক্রির অভিযোগে সোমবার করা মামলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১১টার মধ্যে নুরন্নবী, খালেক, জুয়েল ও সবুরকে গ্রেফতার করা হয়।