নিহতরা হলেন অভিযুক্ত ছায়েদুল হকের মা ও ওই এলাকার আব্দুল হাইয়ের স্ত্রী নুরজাহান বেগম এবং ছায়েদুলের ভাই আজিজুল হকের স্ত্রী নুরুন নাহার বেগম পুষ্পা।
নাঙ্গলকোট থানা সূত্রে জানা যায়, প্রেম করে বিয়ের পর ভাতিজির স্বামীর বাড়ি থেকে আনা নাস্তা খাওয়াকে কেন্দ্র করে মায়ের সঙ্গে ঝগড়া হয় ছায়েদুলের। ঝগড়ার একপর্যায়ে ছায়েদুল বঁটি ও দা দিয়ে মা ও ভাবিকে কুপিয়ে জখম করে। তাদের বাঁচাতে এগিয়ে এলে ভাতিজি আরজু আক্তারকেও আঘাত করে সে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মা নুরজাহান ও ভাবি নুরুন নাহারকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে।
.png)
নাঙ্গলকোট থানার ওসি মো. বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, ঘাতক ছায়েদুল হক সিকিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।