স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, এক রাতে কোনো সম্মেলন ছাড়া ১৩টি কমিটি করে জেলা ছাত্রদল তাদের সাংগঠনিক দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছে। এটা অযোগ্য নেতৃত্বেরই ফসল। এমন অযোগ্য নেতাদের কারণে সারাদেশে আজ ছাত্রদলের এমন করুণদশা।
বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল কর্মীরা অভিযোগে জানান, সবার মতামতকে অগ্রাহ্য করে এভাবে কমিটি করা ঠিক না। এভাবে চলতে থাকলে ছাত্রদলের অস্তিত্ব একসময় বিলীন হয়ে যাবে। এজন্য নেতারাই দায়ী থাকবেন।
.png)
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের ফেসবুক আইডিতে কমিটিগুলো প্রকাশ করা হয়।
জানা যায়, মাগফুর আহমেদ জিহাদকে আহ্বায়ক ও আরমান হোসেনকে সদস্য সচিব করে লক্ষ্মীপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের আট সদস্য বিশিষ্ট কমিটি, ইউছুফ আলী জুয়েলকে আহ্বায়ক ও রায়হান ইসলামকে সদস্য সচিব করে লক্ষ্মীপুর টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাত সদস্যের কমিটি, মনির হোসেন মহিমকে আহ্বায়ক ও নাজমুল হোসেন নীরবকে সদস্য সচিব করে চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সাত সদস্যের কমিটি এবং ইকবাল হোসেন বিপুলকে আহ্বায়ক ও নুরুল আমিন সোহানকে সদস্য সচিব করে দত্তপাড়া ডিগ্রি কলেজের ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজের ৯ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক আরমান হোসাইন ও সদস্য সচিব এমরান হোসেন, রামগতি উপজেলার ২১ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান ও সদস্য সচিব ইরাজ মাহমুদ বাবু ওরফে মমিন উল্যাহ, রামগতি আ স ম আবদুর রব কলেজের ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক আব্বাস উদ্দিন ও সদস্য সচিব ইউসুফ কামাল শান্ত।
রামগতি পৌরসভার ২১ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক শাহজাদা প্রিন্স ও সদস্য সচিব ওমায়ের হোসেন, রামগঞ্জ উপজেলার ২১ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক জহির রায়হান বাবু ও সদস্য সচিব রাকিব হাসান, রামগঞ্জ সরকারি কলেজের ৯ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক বাহার হোসেন ও সদস্য সচিব কামরুল দেওয়ান, রামগঞ্জ পৌরসভার ১৯ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক শাহিন আলম মুন্না ও সদস্য সচিব হুমায়ুন কবির সাদ্দাম, রায়পুর সরকারি কলেজের ১২ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক ফজলে রাব্বি ও সদস্য সচিব ফজলে রাব্বি হৃদয়, কমলনগরের হাজিরহাট উপকূল সরকারি কলেজের ২১ সদস্যের কমিটিতে মেহেদি হাসান দাউদকে আহ্বায়ক ও ওসমান গণিকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সংগঠনকে গতিশীল করতে ছাত্রদলের ১৩ শাখা কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।