গত ১২ মার্চ সন্ধ্যায় পুলিশের তালিকায় একাধিক মামলার আসামি রুবেল শাহ্কে গ্রেফতার করতে তার গ্রামের বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম লাড়ুয়ায় অভিযান চালায় একদল পুলিশ।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম লাড়ুয়া গ্রামের নজরুল শাহ্র ছেলে মো. রুবেল শাহ্র বিরুদ্ধে মোট ছয়টি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। এসব মামলার প্রেক্ষিতে গত ১২ মার্চ গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে রুবেল শাহ্কে ধরতে গেলে পুলিশের ওপর চাকু দিয়ে হামলা করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি।
.png)
এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পিস্তল থেকে গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হন রুবেল শাহ্। তবে পুলিশের দাবি, আসামি রুবেল শাহ্ এর হামলায় এই অভিযানে অংশ নেয়া এএসআই জামশেদ ও এএসআই শফিক নামে দুইজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হন।
পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রুবেল শাহ্কে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সর্বশেষ গুরুতর আহত রুবেল শাহ্কে মিরপুর সড়কের শ্যামলী এলাকায় রেমেডি কেয়ার নামে বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
মৃত রুবেল শাহ্র ছোটভাই মুরাদ শাহ্ অভিযোগ করেন, তার ভাইকে বিনা কারণেই পুলিশ গুলি করেছিল। যে কারণে এখন ভাই মারা গেছেন।
তিনি আরো জানান, রুবেল শাহ্র পিঠের ডান পাশ দিয়ে গুলি ঢুকে বুকের সামনে দিকে বের হয়ে যায়।
তার দাবি, রুবেল শাহ্’র বিরুদ্ধে প্রতিবেশী এক ব্যক্তির সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ নিয়ে দুটি মামলা ছিল। সেগুলোও নিষ্পত্তি হয়। তবে অন্য মামলা সম্পর্কে মুরাদ শাহ্ কিছুই জানেন না।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) কাজী আব্দুর রহীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। একই সঙ্গে অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশসহ আরো অনেকের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।