ব্যাংক কর্মকর্তা জিয়াউল জানান, শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিজের মাকে নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন। এরপর তার মা স্বাভাবিকভাবে দৈনন্দিন কাজ করেছেন, নামাজ পরেছেন, খাবারও ঠিকমতো খেতে পরেছেন।
এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন কৃষি ব্যাংকের ঝালকাঠি সদর শাখার সিনিয়র কর্মকর্তা জিয়াউল হাসান। স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন- এ বিজয় অদ্যাবধি জীবনের শ্রেষ্ঠ বিজয়। ৬ দিন মুমূর্ষু মাকে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রেখে পুরোপুরি সুস্থ করে বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। আলহামদুলিল্লাহ!
.png)
অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৭০ থাকা অবস্থায় মাকে বাচাঁনোর নিমিত্তে নিজ শরীরে ৮ লিটার মাত্রার চলমান ২০ কেজি ওজনের অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে যে বাইকে করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলাম। আজ মমতাময়ী মা তার ফুসফুসে অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৯৬ নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন সে বাইকে করেই। এ যেন আল্লাহর নেয়ামত।
সমগ্র দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা, যাদের আন্তরিক দোয়ায় আমার মাকে মহান আল্লাহ এ যাত্রায় সুস্থ করে দিলেন।
এর আগে, শনিবার (১৭ এপ্রিল) চলমান লকডাউনের কারণে কোনো যানবাহন ও অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে নিজের পিঠে অক্সিজেন সিলিন্ডার বেঁধে করোনা আক্রান্ত মাকে নিয়ে ১৮ কিলোমিটার মোটরসাইকেল চালিয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে যান ব্যাংক কর্মকর্তা জিয়াউল হাসান।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন জিরো পয়েন্ট এলাকা থেকে এক ট্রাফিক সার্জেন্টের মুঠোফোনে তোলা ছবিটি ফেসবুকে পোস্ট করা মাত্রই ভাইরাল হয়ে যায়।