ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বাবুল-মিতুর দুই সন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৩০, ৩০ জুন ২০২১
বাবুল-মিতুর দুই সন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ
বাবুল আক্তার, মাহমুদা খানম মিতু ও তাদের দুই সন্তান (ফাইল ছবি)

সাবেক এসপি বাবুল আক্তার ও মাহমুদা খানম মিতুর দুই সন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার বিকেলে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ ফেরদৌস আরার আদালত এ আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী।

তিনি বলেন, শিশু আইন মেনে মাগুরায় গিয়ে প্রবেশনাল অফিসারের উপস্থিতিতে বাবুল ও মিতু দম্পতির দুই সন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে অন্য কারো সহযোগিতা নিতে পারবেন তিনি। এছাড়া লকডাউনের মধ্যে তা সম্ভব না হলে থানার সহযোগিতায় শিশু আইনের নির্দেশিত বিধান মোতাবেক জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। এজন্য কোনো নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেয়নি আদালত। তদন্ত কর্মকর্তা সুবিধামতো সময়ে করতে পারবেন।

Advertisement

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৩ জুন বাবুল-মিতুর দুই সন্তানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আদালতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ দিনের মধ্যে দুই শিশুকে হাজির করতে বাবুল আক্তারের বাবা আব্দুল ওয়াদুদু মিয়া ও ভাই হাবিবুর রহমান লাবুকে নির্দেশ দেন বিচারক।

পরে করোনার এ সময়ে বাচ্চাদের চট্টগ্রামে নেয়া কঠিন উল্লেখ করে শিশু আইনের বিধান অনুযায়ী তাদের মাগুরায় জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশনা চেয়ে চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে আবেদন করেন মাগুরার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান লাবু। পরে তা শুনানির জন্য চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এ পাঠানো হয়। সোমবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফেরদৌস আরা এ বিষয়ে আংশিক শুনানি শেষে বুধবার তারিখ নির্ধারণ করেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের জিইসি মোড়ের কাছে ওআর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে খুন হন তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন বাবুল আক্তার। মামলাটি তদন্ত করছিল নগর ডিবি পুলিশ। পরে গত বছরের জানুয়ারিতে ‘আদালতের নির্দেশে’ মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই।

এরপরই ঘুরতে থাকে মামলার গতিপ্রকৃতি। পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসতে থাকে স্ত্রী হত্যার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার নানা দিক। ১২ মে দুপুরে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। মামলায় বাবুল আক্তার ছাড়াও আরো সাতজনকে আসামি করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!